• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লক্ষ্য আয় বৃদ্ধি! ভারতীয় রেলের মানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে যাচ্ছে ৫০০ ট্রেন ও ১০ হাজার স্টেশন

  • |

এরকম সিদ্ধান্তের পথে কেন্দ্র যে হাঁটতে পারে তা আগেই শোনা যাচ্ছিল। এবার স্বয়ং ভারতীয় রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা গেল ৫০০ ট্রেন ও প্রায় ১০ হাজার স্টেশনের অবলুপ্তির কথা। করোনা মিটতেই ভারতীয় রেলের মানচিত্র থেকে পাকাপাকি ভাবে মুখে যেতে চলেছে এই ট্রেন ও স্টেশনগুলি।

লক্ষ্য অতিরিক্ত আয়

লক্ষ্য অতিরিক্ত আয়

রেলমন্ত্রকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মতে, পরিচালনাগতভাবে উন্নতি হবে এক্ষেত্রে এবং ফলে রেলের ভাড়া না বাড়িয়েই বছরে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় হবে ভারতীয় রেলের। বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই এই নব রেলব্যবস্থাকে 'জিরো-বেসড টাইমটেবল' নামে ডাকতে শুরু করেছেন। রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই নয়াব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রায় ১৫% অধিক মালবাহী রেল চালানো যাবে এবং যাত্রীবাহী রেলের গতি ১০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

লকডাউনের সময়ে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা

লকডাউনের সময়ে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা

সূত্রের মতে, নতুন কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার না করে শুধুমাত্র পুরাতন পরিকাঠামোকে ঘষে মেজে চালানোর উপায় বলেই এর নাম 'জিরো-বেসড টাইমটেবল'। জানা যাচ্ছে, মহামারীর আবহে রেল বন্ধ থাকায় আইআইটি বম্বের সহযোগিতায় ভারতীয় রেল এই নয়া ব্যবস্থায় মনোনিবেশ করতে পেরেছে। ঢেলে সাজানোর ক্ষেত্রে রেলমন্ত্রকের মূলমন্ত্র ছিল, শুধুমাত্র দরকারি স্থানে অধিক সংখ্যক রেল চালু করা ও অদরকারী ক্ষেত্র থেকে খরচ কমিয়ে আনা।

বহন ক্ষমতার ৫০%-এর কম যাত্রী হলে বন্ধ ট্রেন

বহন ক্ষমতার ৫০%-এর কম যাত্রী হলে বন্ধ ট্রেন

নয়া নিয়মে যেসকল ট্রেনে বহন ক্ষমতার ৫০%-এরও কম যাত্রী ওঠেন, সেইসব ট্রেন বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সেই রুটে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন থামিয়ে যাত্রী তোলা হবে বলে খবর। এছাড়াও দূরপাল্লার ট্রেনের ক্ষেত্রে পরস্পর দুই স্টপেজের দূরত্ব নির্ধারিত হয়েছে ২০০ কিমি। ফলত বাদ পড়েছে প্রায় ১০,০০০ স্টেশন। ওইসকল স্টেশনের জন্য বরাদ্দ থাকবে অন্যান্য লোকাল ট্রেন।

'হাব অ্যান্ড স্পোক মডেল' সম্বন্ধে জেনে নিন

'হাব অ্যান্ড স্পোক মডেল' সম্বন্ধে জেনে নিন

নয়া নিয়মে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে 'হাব অ্যান্ড স্পোক মডেল'। 'হাব' হচ্ছে ১০ লক্ষ বা তারও অধিক জনসংখ্যার শহর, যেখানে দূরপাল্লার ট্রেনগুলি বন্ধ থাকবে। ছোট জায়গাগুলি থেকে আগত লোকাল ট্রেনের মাধ্যমে সংযুক্তিকরণ হবে। এক আধিকারিকের মতে, বৃহৎ তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটনক্ষেত্রগুলিকে 'হাব' বলে চিহ্নিত করা হবে। নিয়মানুযায়ী, ২২টি এলএইচবি কোচের ট্রেন বা ২৪টি আইসিএফ কোচের ট্রেন চলবে, এছাড়াও রাতে ১৮টি কোচ সম্বলিত রেলও চলবে বলে খবর।

 শেষ ধাপে 'জিরো-বেসড টাইমটেবল'

শেষ ধাপে 'জিরো-বেসড টাইমটেবল'

সূত্রের খবর অনুযায়ী, আইআইটি বম্বের সহযোগিতায় ভারতীয় রেলের এই নয়াপদ্ধতির খুটিনাটি খতিয়ে দেখার পদ্ধতি এই বছর শেষের পূর্বেই শেষ হবে। জুলাই মাসেই ভারতীয় রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান ভি কে যাদব জানিয়েছিলেন, "আমরা পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী রেলগুলির গতিপথ আলাদা করার কথা ভাবছি। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে তা আর সম্ভবপর হয়ে উঠছে না।" আধিকারিকদের মতে, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই চালু হবে 'জিরো-বেসড টাইমটেবল'।

শেয়ার বাজারে 'ব্ল্যাক ফ্রাইডে', এক মিনিটে ২.২১ লক্ষ টাকা খোয়ালেন বিনিয়োগকারীরা

English summary
goal is to increase income 500 trains and 10000 stations are being erased from the map of indian railways forever
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X