• search

৩৬ বছর পাকিস্তানের জেলে বন্দি গজানন্দ বাড়ি ফিরেছেন স্বাধীনতা দিবসের আগে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ৩৬ বছর আগে জয়পুর থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন গজানন্দ শর্মা। পরিবার বহু তল্লাশির পরও গজানন্দের খোঁজ পায়নি। তিন দশক গুম থাকার পরে অবশেষে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশে ফিরেছেন তিনি। এতদিন পাকিস্তানের জেলে বন্দি ছিলেন এই ভারতীয়। লাহোরের সেন্ট্রাল জেলই ছিল ঠিকানা। এদিন শেষ অবধি ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত পার করে তিনি ভারতে পরিবারের কাছে এসে পৌঁছেছেন।

    ৩৬ বছর পাকিস্তানের জেলে বন্দি গজানন্দ বাড়ি ফিরেছেন স্বাধীনতা দিবসের আগে

    গজানন্দের তখন ৩২ বছর বয়স যখন তিনি নিখোঁজ হন। এখন ৬৮ বছর। এদিন যখন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকছিলেন, সেই সময়টা তাঁর জীবনে এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে। হার না মানা এক গল্পের নায়ক এই গজানন্দ।

    এমন একজনের বেঁচে থাকার খবর পরিবারের কাছে নিঃসন্দেহে চমকে দেওয়ার মতো। পরিবার প্রথম আঁচ পায় যখন গজানন্দের বিষয়ে এই বছরের শুরুতে পুলিশ খোঁজ নিতে আসে। নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য এসেছিল পুলিশ। তারপরই জানা যায় গজানন্দের বেঁচে থাকার খবর।

    [আরও পড়ুন:এই গুজরাতি মুসলিমের কাছে চির কৃতজ্ঞ ছিলেন নেতাজি ,স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশপ্রেমের কাহিনি]

    পরে পুলিশ ছবি দেখালে ছেলে মুকেশ শর্মা গজানন্দকে চিনতে পারেন। গজানন্দের স্ত্রী মখনি দেবী চেয়েছিলেন মৃত্যুর আগে যেন স্বামীকে একবার দেখতে পান। এদিন তাঁর আশা পূর্ণ হয়েছে। ভারতের ৭২তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে গজানন্দ প্রতিবেশী দেশ থেকে ঘরে ফিরে এসেছেন।

    [আরও পড়ুন:শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও চলেছে লড়াই, কার্গিল যুদ্ধের নায়ক শহিদ বাত্রার এই বীরগাথা আসছে বায়োপিকে ]

    English summary
    Gajanand Sharma, imprisoned in Lahore for 36 years, comes home to freedom

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more