• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

‘সব কুছ ইয়াদ রাখখা জায়েগা’, সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিহারের চার পরিযায়ী শ্রমিকের

  • |

ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সড়ক ও ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কিছু অভিবাসী শ্রমিক। এদের প্রত্যেকেই ভিন রাজ্য থেকে বা অন্যান্য প্রদেশ থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। বিভিন্ন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে রাস্তাতেই মৃত্যু হয় তাদের।

কোনও উপায় না দেখে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা

কোনও উপায় না দেখে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা

এদিকে একাধিক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর পর ঘরে বাইরে চাপের মুখে পড়ে এখন শহরগুলির মধ্যে পায়ে হেঁটে শ্রমিকদের চলাচল নিষিদ্ধ করেছে সরকার। চতুর্থ দফার লকডাউনে চালু হয়েছে নাইট কারফিউ। যদিও অভিবাসী শ্রমিকদের অভিযোগ কোনও উপায় না পেয়েই রেললাইন ও হাইওয়ে ধরে হাঁটা পথে বাড়ি ফিরতে কার্যত বাধ্য হচ্ছেন তারা।

সাইকেলে চড়ে ১৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি

সাইকেলে চড়ে ১৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি

এমতাবস্থায় চন্ডীগড়, পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার হাইওয়েতে শয়ে শয়ে পরিযায়ী শ্রমিককে ট্রাক বোঝাই করে বাড়ি ফিরতে দেখা গেল। অনেকেই আবার সাইকেলে চড়ে পাড়ি দিয়েছেন কয়েকশো মাইলের পথ। এদিনই বিহারের মধেপুরায় সাইকেলে চড়ে বাড়ি পথে ফিরছিলেন চার পরিযায়ী শ্রমিক। কোনও উপায় না দেখে তারাও একপ্রকার বাধ্য হয়ে সাইকেলের আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে জানান। যদিও এই অব্যবস্থার জন্য সরকারকেই দোষারোপও করেন তারা। প্রথমে বাসের ব্যবস্থা হলেও তাদের অভিযোগ বাসে ওঠার চন্ডীগড়ের চার নম্বপ সেক্টরে তাদের থেকে টাকা চাওয়া হয় চন্ডীগড় পুলিশের তরফে।

টাকা না থাকায় বাসে উঠে বাধা পুলিশের

টাকা না থাকায় বাসে উঠে বাধা পুলিশের

মধেপুরা জেলার তুলসীপুরের বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সী দিলখুশ কুমারের কথায়, "আমরা সেক্টর ৪৩-এ বাস ধরার জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু যে সমস্ত পুলিশেরা বাসের লাইন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তারা আমাদের থেকে টাকা চেয়েছিলেন। যাঁরা নগদ টাকা দিতে পেরেছিলেন তাদের বাসে উঠতে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের কোনও টাকা না থাকায় পুলিশ জানিয়েছিল বাসে কোনও সিট নেই।"

“ওরা খুব খারাপ আচরণ করেছে আমাদের সাথে”

“ওরা খুব খারাপ আচরণ করেছে আমাদের সাথে”

তুলসীপুরের অপর বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সী দীপক জানিয়েছেন,পুলিশ তার কাছে চন্ডীগড়ের ভিত্তিক পরিচয় পত্র চেয়েছিল যা তার কাছে না তাকায় বাসে উঠতে দেওয়া হয়নি। তাদের আরও দুই সাথী দিবাকর শর্মা এবং রণজিৎ কুমারও বাড়ি পৌঁছানোর জন্য প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার পথ সাইকেল পাড়ি দিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দিলখুশ জানায়, "আমি এই সময়ের কথা সবসময় মনে রাখব। আর কখনও এখানে ফিরে আসব না। জীবনের সব থেকে খারাপ সময় এটা। দিনের পর দিন না খেয়ে কাটিয়েছি আমরা। এমনকী নিজের এতদিনে কাজের জন্য টাকাও পাইনি। ওরা খুব খারাপ আচরণ করেছে আমাদের সাথে।"

18-05-2020 কোভিড ১৯ আপডেট - দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ফের করোনায় আক্রান্ত মহিলা

বিধ্বংসী 'আম্ফান' রেল-সড়ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে! করোনার আবহে কতটা প্রস্তুত বাংলা, ওড়িশা

English summary
four migrant workers from bihar expressed anger against the government for not being able to return home
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X