বিহারে ফ্লোর টেস্টের আগে 'নিখোঁজ' জেডিইউ-এর চার বিধায়ক! জল্পনা তুঙ্গে
সোমবার বিহার বিধানসভায় আস্থা ভোট। সন্ধের পর থেকে জেডিইউ, আরজেডি নিজেদের বিধায়কদের একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করে গিয়েছে। কংগ্রেস বিধায়করাও হায়দরাবাদ থেকে ফিরে আসার পরে তেজস্বী যাদবের বাসভবনে গিয়েছেন। তবে জেডিইউয়ের বিধায়ক দলের বৈঠকে ৪৫ জন বিধায়কের মধ্যে থেকে চারজন যাননি বলেই খবর প্রকাশিত হয়েছে।
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জেডিইউয়ের চার বিধায়ক বিমা ভারতী, সুদর্শন, দিলীপ রাই এবং রিংকু সিং বৈঠকে যাননি। এখানেই শেষ নয়, এঁদের মধ্যে বিমা ভারতী, সুদর্শন, দিলীপ রাইয়ের মোবাইল ফোনও বন্ধ। এই চার বিধায়ক ছাড়াও ড. সজ্ঞীব পটনার বাইরে থাকায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি। তবে তিনি দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

দলীয় বিধায়কদের বৈঠকে ঐক্যের বার্তা দিয়ে নীতীশ কুমার বলেছেন, বিধানসভায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সবাইকেই ঠিক সময়ে বিধানসভায় উপস্থিত থাকতে হবে। সেখানে কোনও রকমের উত্তেজনা দেখানো যাবে না। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, জেডিইউ-বিজেপি জোট আস্থা ভোটে জয়ী হবে।
জানা গিয়েছে, বিহারের মন্ত্রী তথা নির্দল বিধায়ক সুমিত সিং বৈঠক থেকে বেরিয়ে বলেছেন, সরকারপন্থী বিধায়করা ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। বৈঠকে না আসা চার বিধায়কও সঙ্গেই রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্যদিকে জিতেন রাম মাঞ্ঝির নেতৃত্বে হাম বিধায়কদের একটি বৈঠকও রবিবার হয়। সেখানে তিনি বলেছেন, চার বিধায়ক এনডিএ-র সঙ্গেই রয়েছে। বিধানসভায় তাঁরা সরকারের সমর্থনে দাঁড়াবেন।
উল্লেখ করা যেতে পারে বিহার বিধানসভায় আসন সংখ্যা ২৪৩। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১২২ জন বিধায়কের সমর্থন। এনডিএ-র পক্ষে রয়েছে ১২৮ জন বিধায়কের সমর্থন। এর মধ্যে বিজেপির ৭৮, জেডিইউয়ের ৪৫, হিন্দুস্তান আওয়ামি মোর্চার চার, এবং নির্দলীয় একজন। অন্যদিকে, বিরোধীদের পক্ষে রয়েছেন ১১৪ জন। সেখানে আরজেডির ৭৯, কংগ্রেসের ১৯ ও বামজোটের ১৬ জন বিধায়ক রয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications