India
  • search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts
Oneindia App Download

ভারতীয় হওয়ার জন্যে প্রথমবার ধর্মের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে, সিএএ নিয়ে কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের তোপ

Google Oneindia Bengali News

কংগ্রেস নেতা তথা তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর ফের সরকারের আনা নতুন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে তোপ দাগলেন। রবিবার শশী বলেন, ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ করার ক্ষেত্রে এই প্রথমবার ধর্মের ভিত্তিতে পরীক্ষা আনা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, 'এই নাগরিকত্ব আইনের মূল অসুবিধা হল, এটি নৈতিক ভাবে ভুল।'

জেএনইউ-তে যান শশী

জেএনইউ-তে যান শশী

রবিবার কংগ্রেস সাংসদ জেএনইউ-তে গিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই শশী থারুর সরকারকে তোপ দেগে বলেন, 'এর আগে কখনও এরকম হয়নি যে ভারতীয় হতে গলে কাউকে নিজের ধর্মের পরীক্ষা দিতে হত। কখনই হয়নি যে নিজের ধর্ম দেখিয়ে এই দেশের নাগরিকত্ব নিতে হয়েছে কাউকে।'

জেএনইউ ক্যাম্পাসে তাণ্ডবের সমালোচনা

জেএনইউ ক্যাম্পাসে তাণ্ডবের সমালোচনা

এরপর ৫ জানুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে হওয়া তাণ্ডবের সমালোচনায় মুখর হয়ে তিনি বলেন, '৫ জানুয়ারি জেএনইউ-তে যা হয়েছে তা ক্ষমার অযোগ্য। একজন অভিভাবক হয়ে আমি ক্ষুব্ধ এটা দেখে যে সেই ঘটনায় ছাত্রদের উপর কি রকম অত্যাচার চালানো হয়েছে। মুখোশধারী গুন্ডারা যেভাবে ক্যাম্পাসে ঢুকে তাণ্ডব চালায় তা থামানোর চেষ্টাও করেনি পুলিশ। তারা গেটে বাইরে অপেক্ষা করছিল। এই অপেক্ষাটা যদি ওরা ১৫ ডিসেম্বর জামিয়ার ক্ষেত্রএ করত তবে কাজে দিত। তবে এই ক্ষেত্রে পুলিশ শুধু দাঁড়িয়ে থেকে তাণ্ডব দেখেছে।'

এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি

এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি

এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে শনিবার জেএনইউ-তে হামলাকারী ৩৭ জনকে চিহ্নিত করে দিল্লি পুলিশ। এরা সকলেই 'ইউনিটি আগেনস্ট লেফ্ট' নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০জন বহিরাগত আছে বলেও জানা দিল্লি পুলিশ। এবং জেএনইউ ছাত্রদের একাংশই সেই বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে সাহায্য করে বলেও জানায় পুলিশ।

জেএনইউ-তে কী হয় ৫ জানুয়ারি?

জেএনইউ-তে কী হয় ৫ জানুয়ারি?

হস্টেলের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে সম্প্রতি সরব হয়েছিল জেএনইউ। সেই রেশেই রবিবার সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ শান্তিপূর্ণ মিছিলের ডাক দেন জেএনইউএর টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেখানেই শুরু হয় অতর্কিত হামলা। ঘটনার কথা জানিয়ে পুলিশকে ডাকা হলে ক্যাম্পাসে আসে প্রায় ৭০০ পুলিশকর্মী। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাড়ে সাতটা নাগাদ। যদিও তাণ্ডব তখনও চলছে। অভিযোগ উঠেছে পুলিশের সামনে অ্যাম্বুলেন্স ভাঙা হলেও পুলিশ চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল। শুধু মাঝে মাঝে একজন দুজনকে পুলিশ আটকাচ্ছিল। তবে তারা কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়নি। এদিকে ঘটনায় জখম হয়ে এইমস-এ ভর্তি হয় ৩৪ জন ছাত্র ও শিক্ষক। তাদের মধ্য ঐশী ঘোষের মাথায় ১৫টি সেলাই পড়েছে। তবে অশান্তি ছড়ানোর দায়ে তাঁরই বিরুদ্ধে এবার অভিযোগ দায়ের করল দিল্লি পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

'নাৎজি জার্মানির কথা মনে করিয়ে দেয়'

'নাৎজি জার্মানির কথা মনে করিয়ে দেয়'

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শশী রবিবার বলেন, 'এই ঘটনার সব থেকে খারাপ দিক হল এটা একজন ইতিহাসের ছাত্র হিসাবে নাৎজি জার্মানির কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই সময়ও ক্ষমতাশীন দলের যুব শাখা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে এরকম তাণ্ডব চালাত।'

English summary
for the first time religion is used to prove indian citizenship says sashi tharoor bashing caa
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X