• search

৭ বছরের মেয়েকে গলা টিপে খুন করল বাবা, দিল্লির এই ঘটনায় শিউরে উঠবেন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    প্রেমিকাকে বিয়ের শর্ত পূরণ করতে নিজের সাত বছরের সন্তানকে খুন করল এক ব্যক্তি। এভাবেই বিপত্নিক ওই ব্যক্তি আরও দুই সন্তানকে খুনের ছক কষেছিল বলে জানা গিয়েছে। শিউরে ওঠার মত এই ঘটনা ঘটেছে দিল্লির অমন বিহার এলাকায়। ধরমবীর নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ৭ বছরের মেয়েকে গলা টিপে খুন করল বাবা, দিল্লির এই ঘটনায় শিউরে উঠবেন

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত জুন মাসেই হেপাটাইটিস বি-এ আক্রান্ত হয়ে ধরমবীরের স্ত্রী মারা যান। রেখে যান দুই ছেলে ও এক মেয়েকে। এরইমধ্যে আরেক মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে ধরমবীর। কিন্তু বিয়ে করলেও তার সন্তানদের দায়িত্ব নিতে পারবে না বলে শর্ত রাখে ওই মহিলা। এরপরই নিজের ভাইপো সঞ্জয়কে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে তিন সন্তানকে একে একে শেষ করতে বলে ধরমবীর। তিনজনেরই মৃত্যু যাতে স্বাভাবিক মনে হয় সেই ব্যবস্থাও করতে বলা হয় সঞ্জয়কে।

    গত ১১ই অগাস্ট ধরমবীর তার ৭ বছরের মেয়ে তানিশার দেহ গোপনে অন্তিম সংস্কার করতে গেলে সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। তারাই পুলিশকে খবর দেয়। তানিশার দেহের ময়না তদন্ত ও অটোপসির পর জানা যায় শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ ধরমবীরকে একথা জানানোর পরও কোনও অভিযোগ দায়ের করতে চায়নি সে। এতেই সন্দেহ বাড়ে পুলিশের। ধরমবীরের বাড়ির লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে পুলিশ দেশে তার ভাইপো সঞ্জয় বেপাত্তা। এরপরই বুলন্দশহরে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পথে সঞ্জয়কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    সঞ্জয় জেরায় জানিয়েছে, ৭ বছরের তানিশাকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করার সময়ে ধরমবীরই তাকে পেছন থেকে ধরে রেখেছিল। এরপরই ধরমবীরকেও গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় পরিবারের আরও কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    [আরও পড়ুন: অমানবিক দিল্লি, ১২ ঘন্টা ধরে রাস্তায় পড়ে জখম ব্যক্তি, চুরি গেল টাকাভর্তি ব্যাগ]

    English summary
    A man in Delhi killed his 7 years old daughter as a condition to marry another woman, he planned to kill his two sons in a same manner.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more