বাদল অধিবেশনকে পাখির চোখ করেই ফের আন্দোলনে কৃষকরা, কেমন হল প্রথমদিনের কিষান পার্লামেন্ট?
বাদল অধিবেশনকে পাখির চোখ করেই ফের আন্দোলনে কৃষকরা, কেমন হল প্রথমদিনের কিষান পার্লামেন্ট?
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বৃহঃষ্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় আন্দোলনের তোড়তোড়। পেগাসাস ইস্যুতে একদিকে যখন সংসদের অভ্যন্তরে বিরোধীদের চাপের মুখে কেন্দ্র, তেমনই সংসদের বাইরে এবার সরকারের উপর নতুন করে চাপ বৃদ্ধি করল দিল্লির প্রতিবাদী কৃষকের দল। এদিন সকাল থেকেই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে সংসদ ভবনের বাইরে দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলন শুরু করে ২০০ জন কৃষক। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুরিয়ে ফেলা হয় সংসদ চত্ত্বর।

এমনকী যন্তর-মন্তরেই বসেই কৃষক পার্লামেন্টও। যা নিয়ে সকাল থেকেই উত্তাল দিল্লির রাজ্য-রাজনীতি। এদিকে শুরুতে সংসদ চত্বরে আন্দোলনের অনুমতি মিলবে না বলে শোনা গেলেও শেষে সবুজ সংকেত দেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজাল। তবে পার্লামেন্ট চত্ত্বর থেকে কয়েক মিটার দূরে প্রদর্শনের অনুমতি দেন তিনি। এদিকে এদিন সকাল থেকেই সিংঘু, টিকরি সহ দিল্লির একাধিক সীমান্ত থেকে যন্তর মন্তরে এসে হাজির হয় কৃষকের দল।
সূত্রের খবর, দুপুর ১২টা ২৫ নাগাদ শুরু হয় কৃষান পার্লামেন্ট। সহজ কথায় বললে নির্ধারিত সময়ের থেকে বেশ কয়েক ঘণ্টা দেরিতেই শুরু হয় বিক্ষোভ কর্মসূচী। এর জন্য অবশ্য দিল্লি পুলিশের দিকেই আঙুল তোলেন প্রতিবাদি কৃষকরা। রাস্তায় একাধিক জায়গায় তাদের বাস আটকে বারংবার চেকিং করা হয় পুলিশের তরফে। এমনকী বেশ কিছু বাসকে আটকে দেওয়া হয় বলেও খবর।
কৃষকদের অভিযোগ, তাদের অহেতুক হয়রানি করতে ও সময় নষ্ট করতেই সরকারের নির্দেশে এই কাজ করেছে পুলিশ। এদিকে গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে দিল্লি সীমান্তে লাগাতার বিক্ষোভ আন্দোলনে নেমেছেন তারা। মোদী সরকারের তিন কৃষি আইন, বিদ্যুৎ বিল বাতিল এবং সমস্ত ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি স্বীকৃতির দাবিতে চলছে একাটানা আন্দোলন। অন্যদিকে কৃষকদের সমর্থনে এদিন সংসদে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে দলীয় সাংসদদের নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। অন্যদিকে শুরু থেকেই কৃষকদের সঙ্গে ছিলেন যোগেন্দ্র যাদব। অবশেষে বৃহঃষ্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ শেষ হয় কৃষকের প্রতীকী সংসদ।












Click it and Unblock the Notifications