• search

নালন্দায় মধ্যযুগীয় বর্বরতা, থুতু চাটতে বাধ্য করা হল প্রৌঢ়কে, কারণ জানলে অবাক হবেন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    দরজায় নক না করেই গ্রামের সরপঞ্চের বাড়িতে ঢোকার 'অপরাধে' থুতু ফেলে চাটতে বাধ্য করা হল ৫৪ বছরের এক প্রৌঢ়কে। এই ঘটনা ঘটেছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কেন্দ্র নালন্দায়। ওই ব্যক্তিকে মহিলারা চপ্পল দিয়েও মারধর করে বলে অভিযোগ।

    দরজায় নক না করেই গ্রামের সরপঞ্চের বাড়িতে ঢোকার 'অপরাধে' থুতু ফেলে চাটতে বাধ্য করা হল ৫৪ বছরের এক প্রৌঢ়কে। এই ঘটনা ঘটেছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কেন্দ্র নালন্দায়। ওই ব্যক্তিকে মহিলারা চপ্পল দিয়েও মারধর করে বলে অভিযোগ।

    ঘটনাটি গত বুধবার রাতের। নালন্দার অজয়পুর গ্রামের নূরসরাই ব্লকের বাসিন্দা মহেশ ঠাকুর সরপঞ্চ সুরেন্দ্র যাদবের বাড়িতে কোনও একটি সরকারি প্রকল্পের সুবিধে পেতে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পেশায় ক্ষৌরকার মহেশ অনুমতি ছাড়া ও দরজায় কড়া না নেড়েই সুরেন্দ্র যাদবের বাড়িতে ঢুকেছিলেন। সেই 'অপরাধে' বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চায়েত বসিয়ে ডেকে পাঠানো হয় মহেশ ঠাকুরকে।

    নালন্দায় মধ্যযুগীয় বর্বরতা, থুতু চাটতে বাধ্য করা হল প্রৌঢ়কে, কারণ জানলে অবাক হবেন

    সেখানেই দুই মহিলা মহেশ ঠাকুরকে জুতোপেটা করে বলে অভিযোগ। এমনকী নিজর থুতু চাটতে বাধ্য করা হয় তাকে। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এক পুলিশ আধিকারিককে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নালন্দা জেলাশাসক ত্যাগরাজন। গোটা ঘটনায় তীব্র নিন্দা করেছেন বিহারের মন্ত্রী নন্দ কিশোরও। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে তাও সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 

    [আরও পড়ুন: ফিরে এল দানা মাঝির স্মৃতি, এইমসে চিকিৎসার অভাবে মৃত মেয়ের দেহ নিয়ে ২ কিমি হাঁটলেন বাবা]

    English summary
    An elderly man in Nalanda beaten and forced to spit and lick his own saliva for entering village sarpanch's home without knocking at door.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more