করোনার থাবায় ভারতীয় অর্থনীতির দৈন্যদশা হবে, আশঙ্কা প্রকাশ বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদের
করোনার থাবায় ভারতীয় অর্থনীতির দৈন্যদশা হবে, আশঙ্কা প্রকাশ বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদের
করোনা ভাইরাসের থাবায় ভারতের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জিন ড্রেজ। তিনি রবিবার বলেন, জাতীয় লকডাউন আরও কিছু সময়ের জন্য অব্যাহত থাকলে আরও খারাপ হবে প্রস্তুতি। ড্রেজ আরও বলেন, দেশব্যাপী লকডাউনের কারণে ভারতের বেশিরভাগ জায়গায় সামাজিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে।

পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নিয়ন্ত্রণে বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে দেশে ২১ দিনের লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ১২দিনে পড়েছে লকডাউন। বর্তমানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে চলেছে। যদি লকডাউন আরও কিছুটা সময় অব্যাহত থাকে, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। বিশ্বব্যাপী মন্দা ভারতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে অভিমত বেলজিয়াম-বংশোদ্ভূত ভারতীয় অর্থনীতিবিদ।

করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব অর্থনীতিতে
ভারতীয় অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপর করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রভাব সম্পর্কে কথা প্রসঙ্গে ড্রেজ উল্লেখ করেন, কিছু খাতে খারাপ প্রভাব পড়েছে। তবে চিকিৎসা যন্ত্রের উৎপাদন এই সঙ্কটের সময়েও বৃদ্ধি পেতে পারে। বেশিরভাগ সেক্টর উন্নতি করতে অক্ষম হবে যদি অন্য সেক্টরগুলি ভালো অবস্থানে না থাকে।

লকডাউন শিথিল হওয়ার পরও সমস্যা
লকডাউন শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে প্রবাসী শ্রমিকরা দেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। ড্রেজ উল্লেখ করেন, লকডাউন উঠে গেলেও বেশ কিছু সময়ের জন্য দেশে উৎপাদন শিল্প মার খাবে। অনেকেই বাড়িতে চাষে মন দেবে। ফলস্বরূপ ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের পাওয়া যাবে না। কৃষিতে জোয়ার আসতে পারে, ভাটা পড়বে শিল্পে।

ফিচ রেটিং-এও আশঙ্কার বার্তা ছিল
উল্লেখ্য, ফিচ রেটিং অনুসারে, ২০২০-২১ সালে ভারত জিডিপি-র ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করতে পারে। ৩০ বছর আগে অর্থনীতির উদারনীতি হওয়ার পরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার থেকেও নীচে নেমে যাবে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি চলতি অর্থবছরে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চার শতাংশে নামিয়েছে। আর এসএন্ডপি গ্লোবাল রেটিংগুলি গত সপ্তাহে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসকে আগের হ্রাসের তুলনায় ৩.৫ শতাংশে নামিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications