নির্বাচনে কালো টাকা রুখতে উদ্যোগ নির্বাচন কমিশনের! দলগুলিকে অনুদান নিয়ে 'বড়' সিদ্ধান্ত নিতে চিঠি সরকারকে

নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে সরকারের কাছে সুপারিশ করল নির্বাচন কমিশন। আইনমন্ত্রকের কাছে পাঠানো চিঠিতে, ২০০০ টাকার বেশি সব অনুদানের ক্ষেত্রে নাম প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে সেই সীমা রয়েছে ২০ হাজার টা

নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে সরকারের কাছে সুপারিশ করল নির্বাচন কমিশন। আইনমন্ত্রকের কাছে পাঠানো চিঠিতে, ২০০০ টাকার বেশি সব অনুদানের ক্ষেত্রে নাম প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে সেই সীমা রয়েছে ২০ হাজার টাকা। এছাড়াও বলা হয়েছে, নগদ অনুদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলির পাওয়া পুরো অনুদানের ২০ শতাংশ কিংবা ২০ কোটি, যা কম হবে, তার সীমারেখা তৈরি করতে।

আইনমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

আইনমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার রাজনৈতিক দলগুলির নগদ অনুদানকে সীমাবদ্ধ করতে আইনমন্ত্রকে চিঠি দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজুকে পাঠানো চিঠিতে রাজনৈতিক দলগুলির মোট অনুদানে নগদ অনুদান যাতে ২০ শতাংশ কিংবা ২০ কোটি টাকা যেটা কমব হবে, তাই নির্ধারণ করতে প্রস্তাব দিয়েছেন। এব্যাপারে নির্বাচনী আইন ও বিধিতে সংশোধন আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আইনে অসঙ্গতি

আইনে অসঙ্গতি

এই মুহূর্তে নগদ অনুদানের ঊর্ধ্বসীমা সংক্রান্ত আয়কর আইন এবং ১৯৫১-র জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। ২০১৭-র সংশোধিত আয়কর আইনে বলা হয়েছে, ২ হাজার টাকার বেশি নগদ অনুদান কোনও রাজনৈতিক দল গ্রহণ করবে না। জন প্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯সি ধারায় বলা হয়েছে, অনুদান ২০ হাজারের বেশি হলে রাজনৈতিক দলগুলিকে শুধুমাত্র চেক বা অন্য কোনও ব্যাঙ্কিং মাধ্যমে দেওয়া অনুদানের বিবরণ ঘোষণা করতে হবে। এর অর্থ হল চেক, ড্রাফ্ট কিংবা অন্য কোনও ইলেকট্রনিক ক্লিয়ারেন্সের মাধ্যমে পাওয়া অনুদান ২ হাজার থেকে ২০ হাজারের মধ্যে হতে তার ঘোষণা করতে হবে না। এক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯সি ধারাকে সংশোধনের প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের অবস্থান

নির্বাচন কমিশনের অবস্থান

নির্বাচন কমিশন চায় নির্বাচনী খরচ পরিচালনার জন্য প্রার্থীরা আলাদা করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলুন। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন প্রয়োজন। যা করতে গেলে ১৯৬১ সালের নির্বাচনী বিধির সংশোধন করতে হবে। এছাড়াও ডিজিটাল লেনদেন কিংবা অ্যাকাউন্ট প্রাপকের চেক স্থানান্ত বাধ্যমূলক করা উচিত।
এছাড়াও নির্বাচন কমিশন ২০১০ সালের ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট সংশোধনেরও প্রস্তাব দিয়েছে। সেই আইন লঙ্ঘন করে যাতে বিদেশি অনুদান রাজনৈতিক দলগুলির কাছে না পৌঁছয় তাও নিশ্চিত করতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমান বিধিতে প্রাথমিক পর্যায়ে বিজেশি অনুদান আলাদা করার কোনও ব্যবস্থা নেই।

 গুজরাত সফরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

গুজরাত সফরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

সামনের ডিসেম্বরে গুজরাতে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তিনদিনের সফরে গুজরাতে গিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সঙ্গে রয়েছে নির্বাচন কমিশনের অন্য আধিকারিকরাও। সেখানে তিনি পুলিশের ডিজি, মুখ্যসচিব এবং অন্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা ভোটার তালিকা সংশোধন, ইভিএম, ভোট কেন্দ্রের সুবিধা, ভোট পরিচালনায় কর্মী বল, তাদের প্রশিক্ষণ, পরিবহণ, আইনশৃঙ্খলা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+