লকডাউনের জের, সদ্যজাতদের প্রতিষেধক দিতে দেরি হওয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ
লকডাউনের জের, সদ্যজাতদের প্রতিষেধক দিতে দেরি হওয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ
লকডাউনের জেরে ভারতে ঘরবন্দি প্রায় ৪৭ কোটি শিশু, প্রতি বছর এ দেশে জন্ম নেয় প্রায় ২.৮ কোটি শিশু। ফলত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে শিশুদের প্রতিষেধক দেওয়া কার্যত বন্ধ। চিন্তায় দেশের কয়েক কোটি বাবা-মা।

শিশু বিশেষজ্ঞদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বাবা-মায়েরা
প্রতিষেধক দিতে দেরি করলে শিশুদের মধ্যে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। লকডাউনের জেরে শিশুদের বাইরে বেরোনো বন্ধ। আর তাই বাবা-মায়েরা নিয়মিত পরামর্শ নিচ্ছেন শিশু-বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২০-এর ক্যাম্পেনে #ভ্যাকসিনওয়ার্কস-এর মাধ্যমে এ বিষয়ে সচেতনতার কাজ চলছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চলছে শিশুদের নিয়মিত পরীক্ষা।

শিশু বিশেষজ্ঞদের কাছে পরামর্শের চাহিদা বৃদ্ধি প্রায় ৩৫০ শতাংশ
একটি বেসরকারি সংস্থার মতে, অনলাইনে শিশু বিশেষজ্ঞদের কাছে পরামর্শের চাহিদা বেড়েছে প্রায় ৩৫০%। মূলত প্রতিষেধক দিতে দেরি ও জ্বর-সর্দি-কাশির বিষয়ে পরামর্শ চাইছেন শিশুর বাড়ির পরিজনেরা। বিসিজি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, পিসিভি, টাইফয়েডের মত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষেধক দিতে দেরি হওয়ায় চিন্তিত শিশু বিশেষজ্ঞরা। মূলত বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, দিল্লি, মুম্বইয়ের ময় শহর থেকেই অধিক প্রশ্ন আসছে বিশেষজ্ঞদের কাছে।

কি বলছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা?
বেসরকারি সংস্থার এক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ আলেকজান্ডার কুরুভিল্লা জানিয়েছেন, "এই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার যুগে টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব বাড়ছে। সদ্যোজাত ও শিশুদের শারীরিক সমস্যার কথা ২৪×৭ ঘন্টা শোনার জন্য প্রস্তুত আমাদের শিশু বিশেষজ্ঞরা।" উক্ত বিষয়ে বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডঃ প্রশান্ত এস উরস জানিয়েছেন, "হাসপাতালে যাওয়া এড়ানোর জন্য আমরা বাড়ি বাড়ি প্রতিষেধক দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছি। যদিও এই ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে কারণ সদ্যোজাতদের প্রতিষেধক দেওয়ার সময়ে যে যে উপায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অবলম্বন করা হয়, তার অধিকাংশই বাড়িতে সম্ভব না। এই কারণে সর্বপ্রথম দরকার অভিভাবকদের সদ্যোজাতদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন করা।"












Click it and Unblock the Notifications