ফের এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যরাত থেকে সিলিন্ডার পিছু বাড়ছে ৫০ টাকা
ফের এলপিজির (lpg) মূল্যবৃদ্ধি। এদিন মধ্যরাত থেকে দিল্লিতে সিলিন্ডার পিছু ৫০ টাকা করে দাম বাড়ছে। এই মূল্যবৃদ্ধির পরে দিল্লিতে (delhi) ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের (domestic cylinder) দাম পড়বে ৭৬৯ টাকা। রাত ১২ টা থেকে এই ম
ফের এলপিজির (lpg) মূল্যবৃদ্ধি। এদিন মধ্যরাত থেকে দিল্লিতে সিলিন্ডার পিছু ৫০ টাকা করে দাম বাড়ছে। এই মূল্যবৃদ্ধির পরে দিল্লিতে (delhi) ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের (domestic cylinder) দাম পড়বে ৭৬৯ টাকা। রাত ১২ টা থেকে এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতায় এই দাম ৭৪৫.৫০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ৭৯৫.৫০ টাকা।

ডিসেম্বরে ২ বার দাম বেড়েছিল
গত ডিসেম্বরে ডোমেস্টিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছিল ৫০ টাকা করে। এরপর ১৬ ডিসেম্বর ফের ৫০ টাকা করে বাড়ে, আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির পরে। ভর্তুকি বিহীন ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৬৪৪ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছিল ৬৯৪ টাকা। রাষ্ট্রায়ত্ত তেলসংস্থাগুলির তরফে মূল্যবৃদ্ধির নোটিশে এমনটাই জানানো হয়েছিল। এর আগে জুলাই থেকে সিলিন্ডারের দাম ছিল ৫৯৪ টাকা।

গত মে মাস থেকে ভর্তুকি পাননি গ্রাহকরা
গত মে মাস থেকে এলপিজির গ্রাহকরা ভর্তুকি পাননি। ভর্তুকি বাবদ কত টাকা করে গ্রাহকরা পাবেন, তা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানায়ওনি তেলসংস্থাগুলি। কেননা করোনা পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাস হয়েছিল। অন্যদিকে দেশেও তেলের মূল্যে বৃদ্ধি হয়েছিল। যেই কারণে ভর্তুকি আর বাজারের মধ্যে সমতা চলে এসেছিল।

মাসে মাসে দাম নির্ধারণ হয়
সাধারণভাবে প্রতিমাসের শুরুতে সেই মাসের জন্য এলপিজির দাম নির্ধারণ করে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতেই রকমফের করা হয়। এছাড়াও ডলার ও টাকার মধ্যেকার বিনিময় মূল্যও হিসেবের মধ্যে রাখা হয়। এবার এলপিজির মূল্য এমন সময় বৃদ্ধি হল, যখন দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য সর্বোচ্চস্থানে পৌঁছে গিয়েছে। গতবছর জানা গিয়েছিল সরকার এলপিজির মূল্য মাসের বদলে সপ্তাহে করার চিন্তা ভাবনা করছে। এখনও তা না করলেও ১৫ দিনের মধ্যে দুবার দাম বৃদ্ধি সেইপথের দিকেই এগিয়ে চলছে বলেও মনে করছেন অনেকে।

সর্বশেষ বেড়েছিল সিলিন্ডার পিছু ২৫ টাকা
চার মেট্রো শহরে সর্বশেষ এলপিজির দাম বৃদ্ধি হয়েছিল ৪ ফেব্রুয়ারি। সেই সময় ভর্তুকি বিহীন এলপিজির মূল্য সিলিন্ডার পিছু ২৫ টাকা বৃদ্ধি হয়েছিল। বর্তমানে সরকার ১২ মাসে ১২ টি সিলিন্ডার ভর্কুতে দিয়ে থাকে। এর বেশি হলেই তা ভর্তুকি বিহীনের আওতায় চলে যায়। অন্যদিকে, ১৯ কেজির বানিজ্যক সিলিন্ডারের মূল্য ৯.৫০ টাকা হ্রাস করার পর দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১,৫৮৯ টাকা।
কেন্দ্রীয় সরকার রান্নার গ্যাসের ওপর থেকে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে দেওয়ার পক্ষে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এইভাবে ধীরে ধীরে দামবৃদ্ধি করে ভর্তুকি তোলার পথেই হাঁটছে সরকার।












Click it and Unblock the Notifications