• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

১০০০ জনের কাছাকাছি চিকিৎসকের ইস্তফা রাজ্য জুড়ে! NRS জটে এইমস-এর হুঁশিয়ারি '৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন'

এখনও পর্যন্ত বাংলা জুড়ে ৯৭৩ জন চিকিৎসকদের ইস্তফা পত্র জমা পড়ে গিয়েছে । এনআরএস ঘিরে ক্রমেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে গিয়েছে। একদিকে, অনড় মুখ্যমন্ত্রী অন্যদিকে অনড় এনআরএস-এর জুনিয়র চিকিৎসকরা। এমন পরিস্থিতিতে, রীতিমতো প্রশ্ন উঠেছে কবে মিলবে সমাধান সূত্র। দেখে নেওয়া যাক এখনও পর্যন্ত কোনদিকে এগোচ্ছে স্বাস্থ্য পরিষেবার জট। এরমধ্যে দিল্লির এইমসের তরফে এলো ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি।

এইমস-এর হুঁশিয়ারি!

এইমস-এর হুঁশিয়ারি!

এনআর এস সংকট ক্রমেই বড়সড় আকার নিয়ে চলেছে। এদিকে, এরমধ্যে দিল্লির এইমসের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্য়ে সমাধান সূত্র না বেরিয়ে এলে , অনির্দিষ্টকালের ধরনায় যাবেন চিকিৎসকরা।

সমাধান সূত্র বিশবাঁও জলে!

সমাধান সূত্র বিশবাঁও জলে!

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শুক্রবার সন্ধ্যায় কথা বলতে যান রাজ্যের প্রবীণ তথা নামী চিকিৎসকদের একাংশ। নবান্নে তাঁরা পৌঁছে গোটা বিষয়টির একটি সমাধান সূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করলেও নিজের অবস্থানে অনড় মুখ্যমন্ত্রী। জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী 'নিঃশর্ত ক্ষমা' না চাইলে অবস্থান থেকে সরবেন না তাঁরা।

 খোলা রয়েছে ইমার্জেন্সি

খোলা রয়েছে ইমার্জেন্সি

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে এনআরএস , সমস্ত হাসপাতালেই খোলা রয়েছে ইমার্জেন্সি বিভাগ। এনআরএস-এ আউটডোর বন্ধ থাকলেও খোলা রয়েছে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগ। এছাড়াও আগে থেকে ভর্তি হওয়া রোগীরাও রয়েছেন হাসপাতালে। তবে অচলাবস্থা ঘিরে পরিস্থিতি আরও বিপাকে।

ইস্তফার অঙ্ক ১০০০ এর কাছাকাছি

ইস্তফার অঙ্ক ১০০০ এর কাছাকাছি

এখনও পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের ইস্তফার সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৯৭৩ জনে। আরও বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ইস্তফার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার সংকট আরও বাড়তে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

English summary
Doctors strike in NRS Continues with Mass Resignation.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more