• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর জীবাণুনাশক স্প্রে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষমা চাইল দক্ষিণ দিল্লি পুরনিগম

ফের আরও একবার পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর জীবাণুনাশক ছড়ানোর অভিযোগ উঠল। জানা গিয়েছে, শুক্রবার একদল পরিযায়ী দক্ষিণ দিল্লির লাজপত নগরের এক স্কুলের বাইরে স্ক্রিনিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় সরকারি কর্মীরা তাঁদের ওপর জীবাণুনাশক স্প্রে করে। যদিও পরে দক্ষিণ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (‌এসডিএমসি)‌ পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ভুলবশত এটি হয়েছে। যে কর্মীরা এই জীবাণুনাশক ছড়াচ্ছিলেন তাঁরা যন্ত্রের অতিরিক্তি চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং যার ফলে জীবাণুনাশকের স্প্রে অন্যদিকে চলে যায়।

পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর জীবাণুনাশক স্প্রে

এসডিএমসির পক্ষ থেকে এই ভুলের কারণে পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিশেষ শ্রমিক ট্রেনে ওঠার আগে লাজপত নগরের স্কুলের বাইরে করোনা ভাইরাস স্ক্রিনিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন একশোরও বেশি পরিযায়ী। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন এক কর্মী আচমকাই পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর তা ছড়াতে শুরু করে দেন।

এসডিএমসি এক বিবৃতিতে বলেন, '‌আবাসিক জায়গায় যেহতু এই স্কুলটি তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অনুযায়ী পুরো জায়গা ও রাস্তা জীবাণুনাশ করা হচ্ছিল। কিন্তু জেটিং মেশিনের চাপ বেড়ে যাওয়ার ফলে কিছুক্ষণের জন্য তা সামলাতে পারেনি কর্মীরা।’‌ এসডিএম জানিয়েছে যে, '‌কর্মীদের সতর্ক করে বলা হয়েছে যে ভবিষ্যতে আরও যত্নসহকারে ও মনোযোগ দিয়ে এ ধরনের কাজ করতে। সরকারি কর্মীরা প্রকাশ্যেই পরিযায়ীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।’

এর আগেও দিল্লিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। যা নিয়ে সরব হয়েছিল কংগ্রেস। লকডাউনের কারণে বহু শ্রমিক রাজধানীতে আটকে রয়েছেন। তাঁরা ও তাঁদের পরিবার বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন এই পরিস্থিতিতে।

English summary
Migrant workers were sprayed with disinfectant The South Delhi Municipal Corporation said it was a mistake
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more