সাংবিধানিক অধিকার ও গোপনীয়তার প্রশ্নে সরাসরি আক্রমণ, পেগাসাস বিতর্কে বিরোধীদের তোপের মুখে কেন্দ্র
সাংবিধানিক অধিকার ও গোপনীয়তার প্রশ্নে সরাসরি আক্রমণ, পেগাসাস বিতর্কে বিরোধীদের তোপের মুখে কেন্দ্র
দেশজুড়ে ক্রমেই জোরদার হচ্ছে পেগাসাস বিতর্ক। সমাজের বেশ কিছু প্রভাশালী ব্যক্তির উপর সরকারি নজরদারি চালানোর অভিযোগে বিদ্ধ কেন্দ্র। উত্তেজনা বাড়ছে রাজনৈতিক মহলেও। ইজরায়েলি এই স্পাইওয়্যার সরকার ও বিরোধী পক্ষের নেতা, মন্ত্রী সহ ৪০ জনের বেশি বিশিষ্ট জনের ফোন হ্যাক করে বলে অভিযোগ। তালিকায় রয়েছেন একাধিক খ্যাতনামা সাংবাদিক, শিল্পপতি, সমাজকর্মী, বিচারপতির নাম।

বাড়ছে বিতর্ক
যদিও কেন্দ্রের দাবি ভারতীয় গণতন্ত্র এবং তার প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করতেই এই সরকার বিরোধী তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এই নজরদারির সঙ্গে সরকারের প্রত্যক্ষ কোনও যোগাযোগ নেই বলেও দাবি করা হয়েছে। যদিও তাতে দমছে না বিরোধীরা। এই প্রসঙ্গে কার্যত চাঁচাছোলা ভাষাতেই রবিবার ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় বিরোধী নেতাদের।

তোপ বিরোধীদের
ফোন ট্যাপ বা হোয়াটঅ্যাপের হ্যাকের যে অভিযোগ উঠেছে তা রীতিমতো গুরুতর বলেও দাবি করা হয়েছে। এমনকী এই কাজ সাংবিধানিক অধিকার ও গোপনীয়তার উপর সরাসরি আক্রমণ বলেও তোজ দাগা হয়েছে। এমনকী বিরোধী নেতাদের এও প্রশ্ন, তবে কী ধীরে ধীরে পুলিশি অনুশাসনের কব্জায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতকে ?

কেন্দ্রের সাফাইয়ের পরেও থামছে না বিতর্ক
যদিও দেশজোড়া বিতর্কের মাঝেই কেন্দ্রের দাবি সাধারণ মানুষের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে তৎপর কেন্দ্র। আর ঠিক সেই কারণেই আনা হয়েছে পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন বিল ২০১৯ এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি রুলস ২০১৯। সাফাই দিয়েছেন ভারতের বৈদ্যুতিন ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রীও। যদিও কেন্দ্রের এই সাফাইয়ের পরেও থামছে না বিতর্ক।

কতটা ভয়ঙ্কর এই স্পাইওয়্যার ?
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইজরায়েলি সংস্থা NSO গ্রুপ এই পেগাসাস স্পাইওয়্যার তৈরি করেছে। মোবাইলে আড়ি পাতার অস্ত্র হিসাবেই মূলত এই স্পাইওয়্যারের ব্যবহার হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞদের গাবি ফোনে কী তথ্য, নথি, ছবি রয়েছে সেটাও দেখে ফেলা যায় এর মাধ্যমে। এছাড়াও রয়েছে একাধিক ক্ষমতা। ফোনে কী কথা হচ্ছে, হোয়াটসঅ্যাপে কী আদান-প্রদান চলছে তাও সহজেই জেনে ফেলে এই স্পাইওয়্যার।












Click it and Unblock the Notifications