• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বুরারির ভাটিয়া বাড়িতে 'শূন্য' মন্দির কার জন্য, ঘনালো নতুন রহস্য

দিল্লির বুরারির ভাটিয়া পরিবারের সদস্যরা 'খুবই ধার্মিক ছিলেন' বলে জানিয়েছেন ললিত ভাটিয়ার কাঠের দোকানের কর্মচারি আহমেদ আলি। তবে সেই ধর্মচর্চার মধ্যে তাঁর চোখে কোনও অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েনি। শুধু বাড়িতে একটা মন্দির থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি একটি নতুন মন্দির বানিয়েছিলেন তাঁরা, যে মন্দিরে ছিল না কোনও বিগ্রহ বা দেব-দেবীর ছবি! ফাঁকা মন্দিরটি কী জন্য বানানো হয়েছিল তা জানা নেই আহমেদের।

বুরারির শূন্য মন্দির নিয়ে নতুন রহস্য

অথচ, ললিতের কাঠের দোকানে গত ৭ বছর ধরে কাঠের কাজ কাজ করতেন আহমেদ। এছাড়া ভাটিয়া পরিবারের নানা ফাই ফরমায়েশও খেটে দিতেন। তাই ভাটিয়াদের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত ছিল তাঁর। তিনি জানিয়েছেন, শেষ তিনমাসে ঘাড়ে ও পিঠে ব্যাথার জন্য তিনি শেষদিকে প্রায়ই দোকানে আসতেন না। তাই অনেক দিনই আহমেদকেই ব্যবসা সামলাতে হত।

পুলিশের অনুমান এই অসুস্থতার কথাই ললিত ভাটিয়া লিখেছিলেন তাঁর ডায়েরিতে। ললিত এক জায়াগায় লিখেছিলেন, 'ললিতের স্বাস্থ্য নিয়ে ভেব না। আমি আসি তার প্রভাব পড়ে ওর শরীরে'। এই তৃতীয় পুরুষে নিজেকে উল্লেখ করা দেখে পুলিশ মনে করছে ললিত সম্ভবত মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছিলেন। মনোবিশ্লেষকদের সাহায্য নিচ্ছে পুলিশ।

আহমেদ আলির বক্তব্যে কিন্তু সাত্ত্বিক ও সুখি এক পরিবারের ছবি ফুটে উঠেছে। কোনও অসুস্থতার ছাপ সেখানে নেই। তিনি জানিয়েছেন ভাটিয়া পরিবারের সকাল হত গুরুজনদের প্রণাম করে। তারপর চলত বাড়ির মন্দিরে পূজাপাঠ। তবে কোনও ধর্মে ভেদ করতেন তাঁরা। মন্দির মসজিদ, গুরুদ্বার, চার্চ সব জায়গাতেই তাঁরা প্রচুর দান-ধ্যান করতেন। তাঁদের প্রচুর পয়সাকড়ি থাকলেও নিজেদের গাড়ি বা মোটরসাইকেল কেনাতে আপত্তি ছিল। প্রাইভেট বাস বা ট্যাক্সিতেই যাতায়াত করতেন। এমনকী , আহমেদকেও মোটরসাইকেল কিনতে দেননি।

কিন্তু পুলিশকে ভাবাচ্ছে ওই নতুন তৈরি শূন্য মন্দির। কারণ গত তিনমাসেই ললিতের ডায়েরিতে চরম অসংলগ্নতা দেখা গিয়েছে। আবার এই সময়েই বাড়ির পুননির্মাণ ও নতুন মন্দির তৈরি, যেখানে কোনও দেবদেবী নেই, এটা শুধু সমাপতন হতে পারে না বলেই মনে করছে পুলিশ।

তবে আহমেদ থেকে ভাটিয়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সবাইই এখনও স্তম্ভিত ঘটনায়। তাঁদের দাবি, ভাটিয়াদের এই পরিণতির কোনও ইঙ্গিত ঘটনার আগে একেবারেই পাওয়া যায়নি। আহমেদ যেমন জানিয়েছেন, রান্না ঘরের জন্য তাঁকে আরও টাইলস কেনার নির্দেশ দিয়েচিলেন ললিত। তেমনই ভাটিয়া পরিবারের জামাই, জীবন বাহাদুর জানিয়েছেন সেই রাতে সাড়ে দশটার সময়ও বুরারির বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে ফোনে তাঁর মধ্যপ্রদেশের 'ধার' জেলায় বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান হয়। জীবনের স্ত্রী তথা ললিতদের বোন সুজাতা এখনও পুলিশের তন্ত্রতত্ত্ব মানছেন না।

More delhi NewsView All

English summary
A staff from Lalit Bhatiyar's shop Ahmed Ali said that despite having a temple at home, recently a new temple was built in Bhatiya house, which was kept empty.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more