মোটর বাইকে মৃতদেহ গেল হাসপাতালে! সরগরম বিজেপি শাসিত এই রাজ্য

  • Posted By: Dibyendu Saha
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    একবিংশ শতাব্দীর ভারতে ফের একবার চিকিৎসার সুবিধা না পাওয়ার চিত্র প্রকট হয়ে উঠল। গাড়ি না পাওয়ায় নিজের মায়ের দেহ মোটরবাইকে বসিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধ্য হলেন মধ্যপ্রদেশের টিকামগড়ের এক যুবক।

    মোটর বাইকে মৃতদেহ গেল হাসপাতালে! সরগরম বিজেপি শাসিত এই রাজ্য

    সোমবার সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে কুনওয়ার বাই-এর। পরিবারের তরফে মোহনগড়ের জেলা হাসপাতালে দেহে ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করা হয়। অভিযোগ, হাসপাতালের তরফে বাড়িতে মৃতদেহ বহনকারী ভ্যান পাঠাতে অস্বীকার করা হয়। এরপর কুনওয়ার বাই-এর ছেলে এবং পরিবারের সদস্যরা মোটর সাইকেলে করে দেহ নিয়ে যান হাসপাতালে, ময়নাতদন্তের জন্য। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

    খবর ছড়িয়ে পড়তেই জেলা প্রশাসনের তরফে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সম্পর্কে তিনি না জানলেই বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, জেলার পদস্থ কর্তা।

    এই ঘটনার জেরে দেশে যে চিকিৎসার সুবিধার অপ্রতুল, তা আরও একবার সামনে এসে গেল।
    এবছরের মে মাসে এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল উত্তর প্রদেশের বদায়ুনে। মৃতদেহ বহনকারী গাড়ি না পাওয়ায় স্ত্রীর দেহ কাধে করে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন এক ব্যক্তি।

    তারও আগে উত্তর প্রদেশের সম্ভলে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় পরিবারের তরফে দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মোটরসাইকেলে।

    যদিও উভয় ক্ষেত্রেই তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    English summary
    Denied hearse van, MP man takes mother's body on motorcycle to the hospital for Post mortem.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more