• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

সরকারি কর্মীদের বেতন দেওয়ার টাকা নেই! করুণ আত্মসর্ম্পণ করে দিল্লি সরকার এখন মোদী মুখাপেক্ষী

  • |

টানা লকডাউন। না এসেটে রাজস্ব না হয়এছে উৎপাদন, না চলেছে সরকারি বাস না ছিল সরকারি কোনও বড় কাজ। লকডাউনের চতুর্খ পর্যায়ের শেষদিনে কার্যত অসহায় আত্মসর্ম্পণ করে ফেলল দিল্লি।

কেন্দ্রের কাছে দিল্লির আর্জি

কেন্দ্রের কাছে দিল্লির আর্জি

ভাঁড়ার শূন্য, রাজখোষ খালি। মহামারী সমস্ত অর্থ বানের জলের মতো ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে, এবার কার্যত সর্বসান্ত অবস্থা! এমনই পরিস্থিতি দিল্লি সরকারের। যাঁরা এদিন কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে যে তাঁরা আর সরকারি কর্মীদের বেতন দিতে পারবে না, কেন্দ্রের সাহায্য না এলে।

 অর্থমন্ত্রীর কাছে সাহায্য

অর্থমন্ত্রীর কাছে সাহায্য

দিল্লিক উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া জানিয়েছেন, দিল্লি সরকারের কর্মীদের বেতনের জন্য তাঁদের ৫০০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এই অর্থ কেন্দ্র এক্ষুণি দিলে তবেই সমাধান হবে পরিস্থিতির জটিলতা। আর এই মর্মে তিনি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

 কোন খাতে কত টাকা..

কোন খাতে কত টাকা..

মণীশ সিসোদিয়া জানিয়েছেন, তাঁরা রাজস্ব আদায়ের সমস্ত দিক খতিয়ে দিখেছেন। প্রতি মাসে তাঁদের প্রয়োজন হয় প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকা কর্মীদের বেতন দিতে। শেষ ২ মাসে জিএসটি সংগ্রহ ৫০০ কোটি টাকা প্রতিমাসে হয়েছে। এরপরও সরকারের কাছে ১৭৩৫ কোটি টাকা রয়েছে। যা দিয়ে কর্মীদের এখন বেতন দেওয়া অসম্ভ হয়ে যাচ্ছে।

 ২ মাসে ৭০০০ কোটি চাই

২ মাসে ৭০০০ কোটি চাই

দিল্লি সরকার জানিয়ে ২ মাসে আরও ৭০০০ কোটি টাকা চাই সরকারের। যাতে দিল্লি সরকারী কর্মীদের বেতন দেওয়া যায়। করোনা লকডাউনের জেরে কর আদায়ে ঘাটতি পড়েছে। এমন অবস্থায় করুণ পরিস্থিতিতে রয়েছে দিল্লি।

positive story: পূর্ব ভারতে এই প্রথম!কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে প্লাজমা থেরাপি

আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত আইনজীবীরা আন্দোলনের রাস্তা বেছে নিলেন

English summary
Delhi government has no money to pay salaries says Sisodia
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more