• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বাবার লিভার, ঠাকুমার কিডনি প্রাণ বাঁচাল ২ বছরের শিশুর

  • |

কোচি, ১৯ ফেব্রুয়ারি : দু'বছরের শিশুকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনল তারই পরিবার। বাবার যকৃত বা লিভার ও ঠাকুমার কিডনি বা বৃক্ক প্রাণ বাঁচাল মেয়ে শিশুটির।

কান্নায় বিরক্ত হয়ে তিনদিন বয়সী শিশুর পা ভাঙল হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়

সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন এক ব্রিটিশ পুরুষ

শিশুটির ওজন ছিল মাত্র ৭ কেজি। কেরলের থিসার জেলার কোড়াকারার বাসিন্দা পার্বতী এমএস বিরল রোগে ভুগছিল। চিকিৎসা পরিভাষায় যার পোশাকি নাম 'প্রাইমারি হাইপেরোক্সালুরিয়া টাইপ-১'। এর ফলে যকৃতে এনজাইম কমে গিয়ে কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে দেয়।

বাবার লিভার, ঠাকুমার কিডনি প্রাণ বাঁচাল ২ বছরের শিশুর

পার্বতীর চারমাস বয়স থেকে তাকে ডায়লিসিস দিতে হয়েছে দিনে ২০ ঘণ্টা করে। একবছর বাদে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়। তখনই চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

এক বছরের মেয়ের পেট থেকে বেরলে সাড়ে ৩ কেজির ভ্রূণ

১ বছরের শিশুর ২৫ বছরের যুবকের মতো যৌনাঙ্গ

তবে তাতেও সমস্যা ছিল। পরিণত বয়স্কদের কিডনির মাপ হয় ৯ থেকে ১১ সেন্টিমিটার। অথচ শিশুটির কিডনির মাপ ছিল ৪ সেন্টমিটার। প্রাপ্তবয়স্কদের কিডনি প্রতিঘণ্টায় অর্ধেক লিটার করে রক্ত পাম্প করে বের করে। অথচ শিশুর দেহে রক্তই ছিল ততটুকু।

ফলে শিশুটির কিডনিতে বের করে সেখানে নতুন কিডনি বসানো হয়। বিশেষ পদ্ধতির ব্যবহার করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করা হয়। এমনটাই জানিয়েছেন শল্য চিকিৎসক ম্যাথিউ জেকব। এদিকে নাতনিকে নতুন জীবন দিতে পেরে খুশি সতী রাঘবনও। জানিয়েছেন, নাতনির জন্য এটা তাঁকে করতেই হতো।

English summary
A two-year-old girl with a life-threatening condition, and who weighed just seven kilograms, successfully underwent a dual live-donor transplant after the infant's father donated his liver while her grandmother donated a kidney.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more