ঘূর্ণিঝড় দানাকে হারিয়ে ১৬০০ সদ্যোজাতের জন্ম ওড়িশায়
১২০ কিমি বেগে হানা দিয়েছে ঘূর্ণিঝড় দানা ( cyclone Dana) । প্রলয় চলছে বাইরে। উথাল পাথাল সমুদ্র। শশব্দে ভেঙে পড়ছে গাছ। সেই বিপর্যয়ের মধ্যেও কেঁদে উঠল সদ্যোজাত। বিপর্যয় সেই সময় আঘাত করছে ওড়িশা রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। সেই সব উপেক্ষা করে নতুন প্রাণের সঞ্চার প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেই।
সরকারি তথ্য বলছে প্রলয়ের মধ্যেও নতুন প্রাণের জন্ম হয়েছে। ত্রাণশিবির, ফ্লাড সেন্টার, সাইক্লোন সেন্টারে লক্ষ লক্ষ মানুষকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই জন্ম হল এক একজন মনুষ্য সন্তানের। সেই সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ১৬০০ সদ্যোজাত জন্ম নিয়েছে ওই প্রবল দুর্যোগের মধ্যেও।

ত্রাণ শিবির, ফ্লাড সেন্টারে মোট ৪,৪৩১ জন অন্ত:স্বত্ত্বা ছিলেন। প্রসবের জন্য তাদের মধ্যে ১৬০০ জনকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্থানান্তরিত হয়। এই তথ্য দিয়েছেন, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি।
ওড়িশায় ছয় লক্ষের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ছয় হাজারের বেশি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে তারা নিরাপদে রয়েছেন। খাবার, ওষুধ, জল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করা হচ্ছে। জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি।
বালাসোর জেলায় সব থেকে বেশি মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ত্রাণ শিবিরে প্রায় এক লক্ষ ৭৩ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারপরেই আছে ময়ূরভঞ্জ। এই জেলায় এক লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়। ভদ্রকে ৭৫ হাজার, জাজপুরে ৫৮ হাজার, কেন্দ্রপাড়ায় ৪৬ হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছিল।
ওড়িশা সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। কোথায় কত ক্ষয়ক্ষতি হল? বৃষ্টি কমলে সেই সব জানার কাজ হবে। ওড়িশা রাজ্য সরকার পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক, সজাগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে এই বিষয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications