করোনার বিষ কীভাবে শরীরে ছড়িয়ে দানবীয় থাবা বসায়! নয়া গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
করোনার বিষ কীভাবে শরীরে ছড়িয়ে দানবীয় থাবা বসায়! নয়া গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
করোনার দানবীয় বিষ শরীরে প্রবেশ করে ক্রমেই তার ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে শুরু করে। বিভন্ন ভৌগলিক পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে এই ভাইরাস নিজেকে পাল্টে ফেলে মানুষের শরীরে মৃত্যুর ঠান্ডা থাবা বসাতে শুরু করে। কীভাবে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়, তার ধারণা দিয়েছেন গবেষকরা।

ধাপে ধাপে করোনার থাবা..
ধাপে ধাপে করোনার ভাইরাস কীভাবে শরীরকে অকেজো করতে শুরু করে, তার বার্তা বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, আগেই করোনা ভাইরাসের লক্ষ্য থাকে প্রাণীর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে নষ্ট করার। এরপর ভাইরাস মারণ বিষ শরীরে ঢালতে শুরু করে।

কীভাবে এগোয় করোনা?
আগে শরীরের আশপাশের বায়ু দূষিত হয় করোনার জেরে। তারপর শরীরে ঢুকে একাধিক কোষকে আঘাত করে। অনেক ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পাল্টে দিতে 'সাইটোকিন স্টর্ম' এর ব্যাবহারিক দিককে কাজে লাগায়।

সাইটোকিন স্টর্ম কী ?
শ্বেত রক্তকণার কোষের অতিরিক্ত কার্যকারিতা হল সাইটোকিন স্টর্ম। আর থেকে সাইটোকিন -- ইনফ্লেমেশন--স্টিমুলেটিং মলিকিউল রক্তে যায়। গবেষকরা বলছেন, কোভিড ১৯ রোগীরা সাইটোকিন স্টর্মের মতো সিন্ড্রোম বহন করেন। যা সার্স ও এমইআরএস এ দেখা গিয়েছে।

সাইটোকিন স্টর্ম থেকে কী হয়?
গবেষকরা বলছেন, সাইটোকিন স্টর্ম থাকলে উচ্চ তাপমাত্রা শরীরে দেখা যায়,জ্বর হয়। আর অনেক ক্ষেত্রেই শরীরের ভিতর রক্ত জমাট বাঁধে। যা সাম্প্রতিককালে বহু করোনা রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে। এই রক্তজমাট বাঁধা মোটেও ভালো দিক নয়। সাইটোকিন স্টমের জেরে রক্তচাপ নিম্নমুখী হয়। শরীরে অক্সিজেন কম থাকে।

চিকিৎসার ক্ষেতের লক্ষ্য কী হতে পারে?
বিজ্ঞানীদের দাবি, করোনার চিকিৎসার ক্ষেত্রে লক্ষ্য একমাত্র হতে পারে আগে শরীরের সমস্ত অংশের কার্যকারীতাকে সুস্থভাবে চলতে দেওয়া। তার চেয়েও বড় বিষয় উপসর্গগুলির দিকে সঠিক নজর দিয়ে চিকিৎসা কারাটাও প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ফুসফুসেক কর্মপ্রক্রিয়া যাতে স্বাভাবিক ছন্দে চলে তার দিকে নজর দেওয়া সবচেয়ে জরুরি বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications