করোনা লকডাউন : মদ না পেয়ে অবসাদ, হাসপাতালে ১৪০ জন!
করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন জারি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু মাত্র অত্যাবশ্যক জিনিসের দোকানও খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার। বন্ধ রাখা হয়েছে মদের দোকান ও রেস্তোঁরা-বার। এই অবস্থায় মদ না পেয়ে অবসাদে চলে যাচ্ছেন বহু মানুষ।

মদের অভাবে অবসাদে বহু
মদের অভাবে অবসাদে যাওয়ার কেস হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে হায়দরাবাদে। শহরের মানসিক রোগ নিরাময়কারী এক সরকারি হাসপাতালের আধিকারিক জানাচ্ছেন যে মদ না পেয়ে ১৪০ জন হাসপাতালে এসে তাদের অবসাদের কথা জানিয়েছেন। এদের মধ্যে ৯৪ জন নাকি সোমবার এসেছিলেন।

মদ না পয়ে কেরলে পরপর আত্মহত্যা
এদিকে মদ না পয়ে কেরলে পরপর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। জেলে থাকা কয়েদীর স্যানিটিইজার খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন কেরলে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের কাছে ফের মদ পৌঁছে দিতে অনলাইন ডেলিভারির রাস্তা বেছে নওয়ার বিষয়ে ভাবছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তবে সেই মদ শুধু তাদেরকেই দেওয়া হবে যাদের কাছে ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশন থাকবে।

লকডাউনের আগেই কেরলে বন্ধ হয় মদের দোকান
এর আগে করোনা আতঙ্কের মধ্যে রাজ্যবাসীর স্বাস্থ্যের কথা ভেবে কেরালাতে নিষিদ্ধ হয়েছিল সমস্ত রকম মদ বিক্রি। বুধবার এই সিদ্ধান্ত নেয় কেরালা সরকার। আগামী ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ দেশ জুড়ে লকডাউন শেষ না হওয়া অবধি কেরালায় বন্ধ থাকবে সব মদের দোকান। মদ বিক্রয় বন্ধ হবার পর যাতে জাল মদ বিক্রির রমরমা বৃদ্ধি না পায় সেইদিকেও নজর রেখেছে আবগারি দপ্তর।

কেরলের করোনা পরিস্থিতি
দেশের প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল কেরলেই। এরপর পরপর তিনজন করোনা আক্রান্তকে সুস্থও করে তোলে কেরল। করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বেষ কয়েকটি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কেরল সরকার। যা দেখে সারা দেশ কেরল মডেলের কথা বলছে। তবে এহেন কেরলেই ৬৫ লক্ষ মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কাবণী প্রকাশ করে ইন্ডিয়ান মেডিকাল অ্যাসোসিয়েশন।












Click it and Unblock the Notifications