• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনার জেরে চাকরির বাজারে আশঙ্কার কালো মেঘ! কোন দিকে এগোচ্ছে পরিস্থিতি

  • |

পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা ভালো হলেও, চাকরির বাজার নিয়ে আশঙ্কা অব্যাহত। বহু সমীক্ষার দাবি, ২১ জুনের পর থেকে চাকরির বাজারের পরিস্থিতি অনেকটা ভালো হয়েছে। তবে করোনা লকডাউনের জেরে মানুষ কী ধরনের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, তা অবাক করছে অনেককেই।

চাকরির বাজারের পরিস্থিতি

চাকরির বাজারের পরিস্থিতি

সেন্টার ফর মনিটারিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র প্রধান জানিয়েছেন, গ্রামের দিকে চাকরির পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে শহরাঞ্চলে পরিস্থিতি অনেকটাই খারাপ।

শহরাঞ্চলে পরিস্থিতি কেমন ?

শহরাঞ্চলে পরিস্থিতি কেমন ?

শহরাঞ্চলে চাকরি পরিস্থিতি পরিসংখ্যানের বিচারে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। তবে, সিএমআইই-র প্রধানের দাবি, লকডাউনের জেরে প্রবল দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছেন মানুষ। শহরাঞ্চলের মানুষ সেই কারণে কম টাকা বেতনের চাকরিতেও রাজি হয়ে যাচ্ছেন। যা ভারতের চাকরি ক্ষেত্রের দুর্বল পরিস্থিতিকে তুলে ধরছে।

গ্রামীণ ভারতের পরিস্থিতি কেমন?

গ্রামীণ ভারতের পরিস্থিতি কেমন?

পরিসংখ্যানের বিচারে গ্রামীণ ভারতের চাকরির পরিস্থিতি ইতিবাচক। শহরে ১১. ২ শতাংশ মানুষ কর্মসংস্থানের আওতায় রয়েছেন। অন্যদিকে, গ্রামে ৭.২৬ শতাংশ মানুষ কর্মসংস্থানের আওতায়। শহরে পরিকাঠামো যেখানে গ্রামের থেকে অনেক উন্নত সেখানে এই পরিসংখ্যান অনেকটাই লজ্জাজনক। অন্যদিকে, গ্রামেএমনারেগার মতো প্রকল্পে কাজ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

পরিস্থিতি জটিল!

পরিস্থিতি জটিল!

সিএমআইই-র তরফে বলা হচ্ছে, হকার, ছোট ব্যবসায়ী ও দিন মজুররা ধীরে ধীরে পুরনো পরিস্থিতি ফিরে পেতে শুরু করেছেন। পর্যটন শিল্পেও বেশ ভালো প্রভাব দেখা যাবে আগামী কিছুদিনের পর থেকে।

ভারতে একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ছুঁই ছুঁই! ব্যাপক উদ্বেগ দেশ জুড়ে

English summary
Coronavirus impact on economy , people now taking even low paying jobs under stress
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more