• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা আতঙ্কের মধ্যে ডিটেনশন সেন্টারে থাকা মানুষের মুক্তির দাবি জোরালো! শুরু নয়া উদ্যোগ

  • |

বিদেশ থেকে যারা এসে অবৈধভাবে ভারতে ছিল, তাদের অসমের ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। সরকারের তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে। এদিকে, বিশ্ব জুড়ে করোনাভাইরাসের ত্রাসের জেরে বিভিন্ন দেশে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বন্দিদের। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের ডিটেনশন সেন্টার থেকেও আটকে থাকা বাসিন্দাদের ছাড়ার দাবি জানাল মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

 ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তির দাবি

ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তির দাবি

অসমের ডিটেনশন সেন্টারে আটকে রয়েছে বহু বিদেশী। যাদের ভারতে বসবাস নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াইও চলছে। এদের সকলকে করোনার আতঙ্কের আবহে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

 জেল থেকে ছাড়া হচ্ছে বন্দিদের!

জেল থেকে ছাড়া হচ্ছে বন্দিদের!

অসম সরকার জানিয়েছে কোভিড ১৯ এর আক্রমণ ঠেকাতে সেরাজ্যে জেল থেকে ৭০০ জন বন্দির মুক্তি হবে। আর সেই প্রেক্ষাপট দেখিয়ে অসমের ডিটেনশন সেন্টারে আটকে থাকা মানুষদের মুক্তি চাইছে অ্যামনেস্টি।

কেন ডিটেনশন সেন্টার নিয়ে উদ্যোগ ?

কেন ডিটেনশন সেন্টার নিয়ে উদ্যোগ ?

উল্লেখ্য, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দাবি যেভাবে ডিটেনশন সেন্টারের মধ্যে মানুষ বসবাস করেন,তাতে করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর আরও বেশি সুযোগ। এতে সোশ্যা ডিসটেন্সিং ও ভালোভাবে কার্যকরী হয়না।

আবাসিকদের ঘিরে আরও সমস্যা

আবাসিকদের ঘিরে আরও সমস্যা

অ্যামনেস্টির দাবি, ডিটেনশন সেন্টারগুলিতে লকডাউনে ওষুধপত্র কীভাবে পৌঁছচ্ছে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এছাড়াও একসঙ্গে ডিটেনশন সেন্টারে থাকা ৮০০ জন আবাসিককে একসঙ্গে রাখাও বিপজ্জনক হতে পারে। এমনকি ডিটেনশন সেন্টারে থাকা মহিলা ও শিশুদের আগে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে এই সংস্থা।

English summary
Corona scare, Assam govt asked to release inmates of detention centers by Amnesty International
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more