• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে নিয়ে গান্ধীদের দায়সারা মনভাবে অসন্তোষ কংগ্রেসের অন্দরেই!

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছিলই। সেই গুঞ্জন সত্যি করে মঙ্গলবার 'হাত' ছেড়ে পদ্ম শিবিরের দিকে পা বাড়িয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। কংগ্রেসের পরবর্তী প্রজন্মের উজ্জ্বল নেতা ও রাহুল গান্ধীর একদা ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দলত্যাগে কংগ্রেসের অন্দরেই শোনা যাচ্ছে হা-হুতাশ। কংগ্রেসের একাংশের মতে গান্ধী পরিবার চাইলে আটকাতে পারতেন রাহুল গান্ধীকে।

সিন্ধিয়ার বিদায় প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের অসন্তোষ

সিন্ধিয়ার বিদায় প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের অসন্তোষ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কংগ্রেস নেতা এদিন সিন্ধিয়ার বিদায় প্রসঙ্গে বলেন, 'গান্ধী পরিবারের কেউ ওর বাড়িতে গিয়ে কথা বলে বিষয়টা মিটমাট করে নিতে পারতেন। যদিও সোয়াইন ফ্লুয়ের অজুহাতে কংগ্রেসের কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে অনিচ্ছাপ্রকাশ করেছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তাও এটা করা উচিৎ ছিল।'

জ্যোতিরাদিত্যর বিদায় কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা!

জ্যোতিরাদিত্যর বিদায় কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা!

এদিকে মঙ্গলবার কংগ্রেস থেকে সিন্ধিয়ার বিদায়ের পরই টুইট করেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা কুলদীপ বিষনোই। টুইটবার্তায় তিনি লেখেন, 'জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দলত্যাগ কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা। ওকে বোঝাতে শীর্ষ নেতৃত্বের আরও একটু সক্রিয় হওয়ার প্রয়োজন ছিল। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেসের সংগঠনের বড় স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেছেন। উনার মধ্যে গোটা দেশে এমন আরও কংগ্রেস কর্মী আছেন, যারা নিজেদের বঞ্চিত মনে করেন।'

কংগ্রেসের অন্দরে প্রবীণ বনাম তরুণ দ্বন্দ্ব

কংগ্রেসের অন্দরে প্রবীণ বনাম তরুণ দ্বন্দ্ব

রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, জ্যোতিরাদিত্যের দলত্যাগ কংগ্রেসের অন্দরে প্রবীণ বনাম তরুণ দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে এনে দিল। পাশাপাশি অনেকেই একধাপ এগিয়ে বলছেন, বর্তমানে কংগ্রেসে থাকতে হলে গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ হতে হবে, নয়ত কংগ্রেসে থাকা অসম্ভব হয়ে যাবে। কংগ্রেসের অন্দরে হতাশায় উঠে এসেছে হাইকমান্ডের দায়সারা মনভাবের কথাটিও। আক্ষেপ, দ্বন্দ্বের ফায়দা তুলেই জ্যোতিরাদিত্যকে গেরুয়া শিবিরে টানতে সমর্থ হলেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা।

সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ায় অবাক নন নটবর সিং

সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ায় অবাক নন নটবর সিং

এদিকে প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা নটবর সিংও এদিন জ্যোতিরাদিত্যর বিদায় নিয়ে মন্তব্য করে জানিয়ে দেন যে তিনি এতে আশ্চর্য নন। তিনি বলেন, 'আজ তাঁর বাবা মাধবরাও সিন্ধিয়া যদি জীবিত থাকতেন তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতেন।' পাশাপাশি তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় তাঁকে রাজ্যসভার সদস্য করেও পাঠানো হবে। মন্ত্রিসভায়ও নিয়ে আসা হতে পারে।'

২২ বিধায়ক সমেত বিজেপির পথে সিন্ধিয়া

২২ বিধায়ক সমেত বিজেপির পথে সিন্ধিয়া

বিজেপির পথে পা যে বাড়িয়ে দিয়েছেন তা স্পষ্ট হয়ে যায় হোলির দিন সকালেই। মঙ্গলবার সকাল সকাল প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে যান প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধ্যা। সিন্ধিয়া যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মোদীর বাসভবনে ঢোকেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। জল্পনা ছিল আগেই। তবে এই ছবি সামনে আসতেই আর সব সন্দেহ চলে যায়। এর পরপরই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেন সিন্ধিয়া ঘনিষ্ঠ ১৯ জন বিধায়ক। পরে ইস্তফা দেন আরও বেশ কয়েকজন। মোট ২২ জন বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে দেন। এদের সকলেরই পরবর্তী গন্তব্য বিজেপি।

টালমাটাল কমলনাথের সরকার

টালমাটাল কমলনাথের সরকার

এদিকে এই ইস্তফার হিড়িকে কমলাথের সরকারের পতন এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। ২২ জন কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কমল নাথ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরাও আছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত কমল নাথ সরকারের সঙ্গে ১২০ জন বিধায়কের সমর্থন ছিল। সেখানে বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১০৭। সরকার গড়তে দরকার ১১৫-জন বিধায়কের সমর্থন। সেক্ষেত্রে কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করা ২২ জন বিজেপিতে যোগ দিলে সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে কমল নাথের সরকার। পাশাপাশি একধাক্কায় সরকার গড়ার ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে যাবে বিজেপি।

English summary
congress workers not pleased how jyotiradtya scindia was treated by gandhi family
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more