বিদ্রোহ টিকল না, সিধুই পাঞ্জাব কংগ্রেসের নেতৃত্বে, হরিশ রাওয়াতকে কী জানালেন অমরিন্দর
বিদ্রোহ টিকল না, সিধুই পাঞ্জাব কংগ্রেসের নেতৃত্বে, হরিশ রাওয়াতকে কী জানালেন অমরিন্দর
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি। তবে নভজ্যোত সিং সিধুকেই পাঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধানের পদে বসাতে চলেছে কংগ্রেস। এমন ইঙ্গিত দিয়েছে পাঞ্জাব কংগ্রেসের ইনচার্জ হরিশ রাওয়াত। সেকথা জানাতেই আজ অমৃতসরে এসেছিল তিনি। অমিরিন্দর সিংকে পার্টির সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু সিধুর বিরোধিতায় অনড় ক্যাপ্টেন। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যতক্ষণ না সিধু তাঁর বিরুদ্ধে করা একাধিক বিতর্কিত টুইট এবং মন্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইছেন তিনি এটা মেনে নিেত পারবেন না। পরে অবশ্য অমরিন্দর জানিয়েছেন এটা একেবারেই পার্টির সিদ্ধান্ত।

সিধুই হচ্ছেন পাঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান
অমরিন্দর সিং নয় সেই সিধুতেই আস্থা রাখল কংগ্রেস হাইকমান্ড। আগে থেকেই এই নিয়ে জল্পনা চলছিল। দিল্লিতে সিধুকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে সিধুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল সিধুকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে। সেকারণেই হরিশ রাওয়াত এসেছিলেন অমরিতসরে। সেখানে ক্যাপ্টেনের সঙ্গে দেখাও করেন। সেখানেই তিনি সিধুকে নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিল্লিতে গিয়ে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কী বললেন অমরিন্দর
হরিশ রাওয়াত এই নিয়ে আজ অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন। সেখানে পার্টির হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। প্রথমে অমরিন্দর সিং বেঁকে বসেছিলেন। তিনি কিছুতেই মেনে নিতে চাইছিলেন না এই সিদ্ধান্ত। সিধুর তাঁর বিতর্কিত টুইট এবং মন্তব্যের জন্য যতক্ষণ না ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন ততক্ষণ তিনি সিধুকে মেনে নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। পরে আবার জানা গিয়েছে পার্টির সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন অমরিন্দর সিং।

সিধুতে আপত্তি
প্রথম থেকেই সিধুর সঙ্গে বিবাদ অমরিন্দর সিংয়ের। তাই বিধানসভা ভোটের আগে যখন সিধুকে হঠাৎ করে গুরুত্ব দিতে শুরু করে কংগ্রেস হাইকমান্ড তখন বেজায় চটে গিয়েছিলেন তিনি। সোনিয়া গান্ধীকে ফোন করে প্রবল আপত্তি জানিয়েছিলেন। এমনকী সিধুর নেতৃত্বে তিনি ভোটে লড়বেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে অমরিন্দরকে ভোটের প্রচার কমিটির প্রধান করেছে কংগ্রেস।

সোনিয়াকে চিঠি
সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে কড়া অভিযোগ করেছেন অমরিন্দর সিং। তিনি অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস হাইকমান্ড জোর করে রাজ্যের রাজনৈতিক কাজে হস্তক্ষেপ করছে তাতে রাজ্য সরকারের কাজও ব্যহত হচ্ছে। সোনিয়াকে লেখা এই চিঠিক কারণ কিন্তু ছিল সেই সিধুই।












Click it and Unblock the Notifications