চূড়ান্ত ধরাশায়ী বিরোধীরা, জয় বিতর্কিত হাথরসেও! যোগী রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে সিঁদুরে মেঘ
চূড়ান্ত ধরাশায়ী বিরোধীরা, জয় বিতর্কিত হাথরসেও! যোগী রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে সিঁদুরে মেঘ
গুজরাতের পাশাপাশি ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশেও বেজে গিয়েছে বিধানসভা ভোটের দামামা। আর ভোটকে সামনে রেখে এখন থেকেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক বিরোধী প্রায় সব পক্ষই। কিন্তু তার আগে উত্তরপ্রদেশে জেলা পঞ্চায়েত ভোটে বিরাট জয় পেল বিজেপি। যাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে সোনিয়া গান্ধীর কংগ্রেস ও অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি।

৭৫টির মধ্যে ৬৫টি আসন পদ্মশিবিরের ঝুলিতে
এদিকে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে পঞ্চায়েত স্তরের এই নির্বাচনকেই কার্যত সেমিফাইনাল হিসাবে দেখছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। কিন্তু রাজ্যে জেলা পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে ৭৫টির মধ্যে ৬৫টিতেই পদ্ম শিবিরের পদপ্রার্থীরা জয়ী হওয়ায় খুশির জোয়ারে ভাসছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা। জয় এসেছে রায়বরেলি, হাথরস, ফিরোজাবাদ, প্রয়াগরাজ, বুন্দেলখণ্ডের মতো জায়গাতেও।

তিনশোর বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসার চ্যালেঞ্জ যোগীর
অন্যদিকে ইতিমধ্যেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনশোর বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসার চ্যালেঞ্জও জানিয়ে ফেলেছেন উত্তরপ্রদেশের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। কিন্তু পরিযায়ী সঙ্কট, করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থতা, রাজ্যজোড়া মন্দা, এমনকী করোনায় মৃতদের নিয়ে নোংরা রাজনীতির পরেও কী ভাবে যোগীর কাঁধে ভর করে উত্তরপ্রদেশে পদ্ম শিবিরের পাল্লা এত ভারী হল তা ভেবেই কূলকিনারা পাচ্ছেন না কংগ্রেস ও সপা সমর্থকেরা।

মাত্র ৬টি আসনে জিতেছে সপা
এদিকে পরিসংখ্যান বলছে উত্তরপ্রদেশের জেলা পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে ৭৫টি জেলার মধ্যে ২২টির জেলা পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান পদে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি৷ তার মধ্যে ২১টিতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন বিজেপি প্রার্থীরা। মাত্র একটি আসনে জয়ী হয়েছে সমাজবাদী পার্টি। অন্যদিকে ৫৩টি আসনের নির্বাচনে মাজবাদী পার্টি জয়ী হয়েছে মাত্র ৬টি আসনে। চারটি আসনে জিতেছে অন্যান্যরা।

রায়বেরেলিতেও ধরাশায়ী হয়েছে হাত শিবির
অমনকী কংগ্রেস গড় বলে পরিচিত সোনিয়া গান্ধীর রায়বেরেলিতেও ধরাশায়ী হয়েছে হাত শিবির। গত মে মাসে উত্তরপ্রদেশে মোট চার দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দলের প্রতীকে এই নির্বাচন হয় না। বিধি মতে পদপ্রার্থীতে সমর্থন জানিয়েই লড়াইয়ে নামে প্রতিটা রাজনৈতিক দল। কিন্তু আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনের কারণেই তৃণমূল স্তরের এই নির্বাচনের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে অখিলেশ-সোনিয়াদের এই ল্যাজেগোবরে অবস্থা দেখে হতাশই হচ্ছেন অনেকে। এমনকী চব্বিশের লোকসভাতেও মোদী বিরোধী জোটের ভবিষ্যত নিয়েও উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications