আরসিইপি-তে ভারতের যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তে নৈতিক জয় দেখছে কংগ্রেস
আরসিইপি-তে ভারতের যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তে নৈতিক জয় দেখছে কংগ্রেস
মতানৈক্যের কারণে আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা আিসিইপি-তে স্বাক্ষর করছে না ভারত। মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে কংগ্রেস নিজেদের নৈতিক জয় বলে দাবি করেছে। কারণ এই চুক্তিতে যাতে সরকার স্বাক্ষর না করে তার জন্য প্রবল বিরোধিতা করেছিল তারা। সেই বিরোধিতার করণেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছেন রণদীপ সূরজেওয়ালা।

কংগ্রেসের দাবি
দেশের কৃষক, ছোট ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখেই আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় সরব হয়েছিল কংগ্রেস। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে দেশে চিনা সামগ্রিতে ভরে যেত। এবং ক্ষতিগ্রস্ত হতেন কৃষক এবং ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যবসায়ীরা। সোমবার মোদী সরকার শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি স্বাক্ষর না করার পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেন। তার পরের দিনই কংগ্রেস সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করেছে তাঁদের বিরোধিতার কারণেই মোদী সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ
দেশের অর্থনীতির যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে এই চুক্তি স্বাক্ষর করলে চরম পরিস্থিতি তৈরি হত দেশে। কৃষক থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সকলেই ভীষণ ভাবে ক্ষতি গ্রস্ত হতেন। এই চুক্তির বিরোধিতায় গত কয়েকদিন ধরেই কংগ্রেসের বিভিন্ন সংগঠন বিরোধিতায় সামিল হয়েছিল এমনকী এই চুক্তি স্বাক্ষতির হয়ে বড় আন্দোলনে নামারও হুমকি দিয়েছিল কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী টুইট করে একের পর এক অভিযোগ করে চলেছিলেন। যদিও সুরজেওয়ালা দাবি করেছেন বিজেপি সরকার এই চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল।

ঐক্যমত্যে না পৌঁছনোয় চুক্তিতে না ভারতের
এই আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য নীতিতে স্বাক্ষর করার করা ছিল ১৬টি দেশে। তাতে আধিপত্য থাকত মূলত চিনের। কিন্তু ভারত শুক্লে অসাম্যের অভিযোগ তুলেছিল। এই নিয়ে দফায় দফায় আলোচনাও হয়েছে ভারতের সঙ্গে। কিন্তু কিছুতেই ঐক্যমত্যে পৌঁছনো যায়নি। আজ থাইল্যান্ডে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা এই চুক্তির। শেষ পর্যন্ত ভারত চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায়। যদিও কোনও বিরোধিতার চাপে নয়, দেশের কৃষক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থের কথা ভেবেই মোদী সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছেন অমিত শাহরা।












Click it and Unblock the Notifications