আদানির সঙ্গে সম্পর্ক! যতীন মেহেতাকে ফেরাতে কেন্দ্রের গড়িমসির কারণ দর্শাল কংগ্রেস
আদানির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে যতীন মেহেতার। তাই তাঁকে ফেরাতে কেন্দ্র গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। কংগ্রেসের দাবি, ভারতে আইনের মুখোমুখি হওয়ার জন্য পলাতক হীরা ব্যবসায়ী যতীন মেহতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কোনো প্রচেষ্টা নেই।
আর কংগ্রেস এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের মোদী সরকারের দিকে আঙুল তুলে জানিয়েছে, আদানির পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক রয়েছে বলেই কি তাঁকে ফিরিয়ে আনার কোনো চেষ্টা করছে না সরকার। উল্টে তাঁকে সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে কি না জানতে চেয়েছেন কংগ্রেস।

কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাতে অভিযোগ করেছেন, যতীন মেহতা ভারতীয় ব্যাঙ্ক থেকে সাত হাজার কোটি টাকা প্রতারণা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাকের ডগা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তিনি শুধু দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের ক্যারিবিয়ান নাগরিকত্বও নিয়েছেন।
কংগ্রেসের দাবি, ভারত সরকার কর্তৃক তাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য কোনো চেষ্টা করা হচ্ছে না। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য বা তাঁকে দেশের আইন ও আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি করার কোনো প্রয়াস আজ পর্যন্ত চোখে পড়েনি। শ্রীনাতে অভিযোগ করেছেন, যতীন মেহতা এবং আদানি কেলেঙ্কারির মধ্যে সংযোগগুলি প্রকট হয়েছে বলেই চুপ কেন্দ্র।
এই যতীন মেহতা হলেন, উইনসাম ডায়মন্ডস, ফরএভার প্রিসিয়াস জুয়েলারি এবং ডায়মন্ডস ও সু-রাজ হীরার মালিক। তিনি টাকা নিয়ে পগার পার হয়ে গিয়েছে। শ্রীনাতের অভিযোগ, মেহুল চোকসি বা নীরব মোদীর মতো লোকেরা যে রুটটি ব্যবহার করেছিলেন, মেহতাও ঠিক একই রুট ব্যবহার করে পালিয়ে গিয়েছে।
अडानी के समधी जतिन मेहता के तार मोंटेरोसा समूह से जुड़े हैं।
— Supriya Shrinate (@SupriyaShrinate) April 19, 2023
मोंटेरोसा ग्रुप की कंपनियां तथाकथित रूप से उन शेल कंपनियों में पैसा डाल रही हैं, जहां से बेनामी पैसा अडानी के पास आता है।
तो पूछना बनता है ना अडानी कंपनियों में 20,000 करोड़ किसके हैं?
pic.twitter.com/RwQ3v2Nq93
ভারতীয় ব্যাঙ্ক থেকে ক্রেডিট চিঠির ভিত্তিতে সোনা আমদানি করে গহনা তৈরির পর দুবাইয়ে রফতানি করা হয়। ১৩টি কোম্পানির সঙ্গে এই গহনা দুবাইতে রপ্তানি করা হয়েছিল। এসবই যতীন মেহতা ও তাঁর পরিবারের মালিকানাধীন ছিল বলে শ্রীনাতের অভিযোগ।
এরপর যতীন মেহেতা বলেন, সেই সংস্থাগুলি অর্থপ্রদান করতে অস্বীকার করেছিল। সেই কারণেই তাঁকে লোকসানে পড়তে হয়েছিল। কংগ্রেস নেত্রীর অভিযোগ, আসলে, সেই টাকা যতীন মেহতা এবং তাঁর পরিবার প্রতারিত করেছে। ওই টাকা এই দেশের সৎ করদাতাদের, এটা এই দেশের পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কের টাকা।
কংগ্রেস নেত্রীর দাবি, মেহতার আদানি কেলেঙ্কারির সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে। শ্রীনাতে আরও অভিযোগ করেন, মরিশাসের কিছু শেল কোম্পানির সঙ্গে তাংর সম্পর্ক রয়েছে, যা আদানি গ্রুপে অর্থ লগ্নি করে। ভারত সরকার কি এখন যতীন মেহতাকে নিয়ে আর তদন্ত করবে? তাঁকে কি প্রশ্ন করা হবে, ২০ হাজার কোটি টাকা কার!












Click it and Unblock the Notifications