• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পেটিএম-এ বাবার অ্যাকাউন্ট খুলেই চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া হাতিয়ে নিল টাকা! কেন এই চুরি জানেন

অনলাইনের মাধ্যমে টাকার আদান প্রদান ,বা ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে অনীহা অনেকের মধ্যেই থাকে। মূলত , বর্ষীয়ানদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যায়। আর সেই অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই নিত্যদিন ঘটে যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ। এবার অপরাধের কেন্দ্রস্থল উত্তর প্রদেশ।

পেটিএম-এ বাবার অ্যাকাউন্ট খুলেই চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া হাতিয়ে নিল টাকা! কেন এই চুরি জানেন

উত্তরপ্রদেশের লখনউতে এক চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া তার বাবার অ্যাকাউন্ট খুলে দেয় পেটিএম-এ। বাবার মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করেই এই অ্যাকাউন্ট খোলে শিশুটি। এরপর সেই অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড জেনে যাওয়ায় ফলে শিশুটি ৩৫, ০০০ টাকা বাবার অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেয়। এরপরই এভাবে অজান্তে ট্রানজাকশন হয়ে যাওয়ায় উত্তর প্রদেশ পুলিশের সাইবার সেল-এর দ্বারস্থ হন বাবা। আর তাতেই তদন্তে জানা যায় গোটা ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া।

এরপরি শিশুকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সাইবার সেল পুলিশ। জানা যায়, শুধুমাত্র অন লাইন গেম খেলার জন্য বাবার অ্যাকাউন্ট থেকে ছেলে হাতিয়ে নেয় ৩৫, ০০০ টাকা। শুধুমাত্র গেম-এ আসক্তির জন্যই এই পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয় ওই শিশু।

English summary
Class 4 boy creats Paytm account for father ,steals money for online game .The child, who is addicted to online video games, opened a Paytm account on his father's mobile phone and managed to withdraw large sums of money. Unaware of his son's role in these transactions, the father approached the cyber cell to lodge a complaint.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more