• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

তীব্র ঘাটতির মুখে চিনা ব্র‌্যান্ডের পণ্য, স্মার্টফোনের দাম বাড়ার সম্ভাবনা

ভারতে চিনা ব্র‌্যান্ডের তীব্র ঘাটতির আশঙ্কা করছে ব্যবসায়ীরা। এমনিতেই লকডাউনের কারণে ৪০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি, যার থেকে ৪০ শতাংশেরও কম পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে ভারতের স্মার্টফোন সংস্থাগুলি, বর্তমানে নতুন এক সমস্যা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা জানিয়েছে যে চিন থেকে আসা ফোনের প্রয়োজনীয় অংশ, ধাতব উপাদান ও জিনিসপত্রের বাক্সগুলি শুল্ক দপ্তর থেকে যদি না ছাড়া হয়, তবে তীব্র ঘাটতির মুখে পড়বে তারা এবং শেষে ব্যবহারকারীদের ভুক্তভোগী হতে হবে।

সরবরাহ চেইনে প্রভাব পড়ছে

সরবরাহ চেইনে প্রভাব পড়ছে

ভারতীয় সেলুলার ও ইলেকট্রনিক্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে লেখা এক চিঠির পরই এই প্রতিক্রিয়া আসে। চিঠিতে বলা হয়েছিল যে ইলেক্ট্রনিক্স শিল্পের সমস্ত চিন থেকে আমদানি পণ্যগুলি বন্দরে পূর্ববর্তী সতর্কতা ছাড়াই শুল্কের বিরুদ্ধে বিরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা সরবরাহ চেইনে প্রভাব ফেলেছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকরা

ভুক্তভোগী গ্রাহকরা

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ চিনা স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক জানিয়েছে, দীর্ঘ-মেয়াদি এই বিলম্ব তাঁদের গ্রাহকদের ওপর অনিচ্ছাকৃত বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে কারণ চাহিদা বাড়লেও খুব অল্প সংখ্যক সরবরাহ হচ্ছে। ওই প্রস্তুতকারক বলেন, ‘‌আমরা প্রায় তিন মাস ক্ষতির মুখোমুখি হয়ে সবেমাত্র স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছি, আর এখন আমাদের চালান আটকে রয়েছে বিভিন্ন বন্দরে। চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে পণ্য সর্বাধিক ছাড়া না হয় তবে আমরা টিকে থাকতে সক্ষম হব না।'‌

দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্দরে আটকে চালান

দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্দরে আটকে চালান

চিনের স্মার্টফোন সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন যে ফোনের দাম বাড়ানো ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না। প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যান্ডের আরেক মুখপাত্র, যার অবস্থা কিছুটা ভালো এবং তাদের নতুন ডিভাইসের লঞ্চ কিছুদিনের মধ্যেই, তিনি জানিয়েছেন যে দেশের সমস্ত জায়গা থেকে চাহিদা ভালোই আসছে। মুখপাত্র বলেন, ‘যেহেতু মাসব্যাপী লকডাউনের পরে পুনর্বাসনের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে যদি চালানগুলি দীর্ঘ সময়ের জন্য আটকে থাকে তবে বৃহত্তর সরবরাহ শৃঙ্খলা হিসাবে চিনা বা ভারতীয় বাধা পাবে কিনা তা বিবেচনা না করে এটি সমস্ত ব্র্যান্ডকে প্রভাবিত করবে‌।'

ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার

ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার

অর্থ মন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে আইসিইএ-এর চেয়ারম্যান পঙ্কজ মহিন্দ্র লিখেছেন যে তারা সমস্যাটি বুঝতে পারছে এমনকী পণ্যগুলি ছাড়া হয়ে গিয়েছে এবং ট্রাকে ভর্তি করে ব্যবহারকারীর গুদামঘরের দিকে পাঠানো হয়ে গিয়েছে। তিনি চিঠিতে বলেন, ‘‌পুরো পরীক্ষার জন্য প্যাকেজিং খোলা হচ্ছে, এরপর তা বাজারে বিক্রি করা প্রায় অসম্ভব। এটা লক্ষাধিক ডলারের ক্ষতির সঙ্গে বাজারে এই জিনিসের ঘাটতি ও বিদেশি বিনিয়োগ পরবর্তী সময়ে না হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।'‌

 চিন থেকে বৈদ্যুতিন জিনিস আমদানি করে ভারত

চিন থেকে বৈদ্যুতিন জিনিস আমদানি করে ভারত

চিন থেকে বার্ষিক প্রায় ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদ্যুতিন জিনিস আমদানি করে ভারত। ইন্ডাস্ট্রির পর্যবেক্ষকদের মতে, কিছু খুচরো ব্যবসায়ী জানিয়েছেন যে সময়ের মধ্যে তাঁরা তাঁদের পণ্য পায়নি। ‘‌তবে আমাদের বোঝাপড়া অনুসারে এটি খুব শীঘ্রই সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূল সরঞ্জাম নির্মাতারা (ওএমএস), বিশেষত এই মুহুর্তে, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চালান আটকে থাকার কারণে রাখার কারণে ক্রেতা হারাতে পারেন।'‌ বলেন কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ এর সহযোগী পরিচালক তরুণ পাঠক। তিনি আরও বলেন, ‘‌কারখানাগুলি যেহেতু সাধারণভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং খুচরো ব্যবসায়ীরা তাই তাদের মজুত বাড়াতে অনলাইন চ্যানেলের ওপর নির্ভরশীল হচ্ছে।'‌

মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব ফেরালেন সূর্যকান্ত, করোনা বিশেষজ্ঞ কমিটিতে থাকার প্রস্তাব প্রত্যাখান

সরকারি হাসপাতালে করোনা বাদে অন্য রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত, অভিযোগ তুলে পথে কংগ্রেস

English summary
chinese brands in the face of acute shortages
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X