লাদাখে সীমান্তে বিকল্প রোড লিঙ্ক নির্মাণ বেজিংয়ের, ১৯৬২-র যুদ্ধের তৎপরতা লালফৌজে
লাদাখে সীমান্তে বিকল্প রোড লিঙ্ক নির্মাণ বেজিংয়ের, ১৯৬২-র যুদ্ধের তৎপরতা লালফৌজে
উপগ্রহ চিত্রে বেজিংয়ের অপকর্মের একের পর এক কীর্তি ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। লাদাখ সীমান্তে যোগাযোগ উন্নত করতে বিকল্প রাস্তা তৈরি করছে লালফৌজ। ১৯৬২ সালে ভারত চিন যুদ্ধ কিন্তু লাদাখের এই সীমান্ত সড়ক নির্মাণ নিয়েই শুরু হয়েছিল। সেই উস্কানি কী আবার শুরু করল বেজিং। এই নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

সড়ক নির্মাণ বেজিংয়ের
জি ২১৯ সড়ক নিয়ে প্রথম থেকেই বিবাদ ছিল ভারত ও চিনের মধ্যে। যার জন্য ১৯৬২-তে ভারত ও চিনের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। ১৯৫০ সালে পূর্ব লাদাখে সড়ক নির্মাণ শুরু হয়েছিল সেটা শেষ হয় ১৯৫৭ সালে। সেই নিয়ে তুমুল যুদ্ধ বাঁধে দুই দেশের মধ্যে। তারপড়ে থমকে গিয়েছিল সড়কের কাজ। সেই যুদ্ধের পরেই জি২১৯-র পশ্চিম দিকের অংশ চিনের দখলে চলে গিয়েছিল।

এবারও সড়কই বিরোধের কারণ
এবার সেই সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করেই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তে বিবাদ শুরু হয়েছে। এলএসি বরাবর সীমান্তে সড়ক নির্মাণ শুরু করেছিল বেজিং। তাতেই আপত্তি জানায় ভারত। এই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তুমুল অশান্তি তৈরি হয়েছে। এই জি ২১০ রাস্তাটি আরও ভাল করে তৈরি করতে চাইছে বেজিং। যাতে সীমান্তে সেনার গতিবিধি আরও তৎপরতার সঙ্গে হতে পারে।

বিকল্প রাস্তা নির্মাণ
জি২১৯ রাস্তার বিকল্প হিসেবে আরও একটি রাস্তা তৈরি করতে শুরু করে গিয়েছে বেজিং। উপগ্রহ চিত্রে ধরা পডেছে সেই ছবি। যেকোনও উত্তেজনা পূর্ণ পরিস্থিতি লাদাখে তৈরি হলে যাতে সেখানে সহজে সেনা পাঠানো যায় সেকারণেই এই বিকল্প রাস্তা নির্মাণেত তোর জোর লালফৌজের। লাদাখ সীমান্তে পৌঁছনোর জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি সংযোগকারী রাস্তা তৈরি করেছে বেজিং।

নজর রাখছে ভারত
সীমান্তে লালফৌজের সড়ক নির্মাণের গতিবিধির উপর নজর রাখছে ভারত। তার উপরে আবার ৫জি লাইন পাতা শুরু করেছে বেজিং। যোগাযোগ উন্নত করাই বেজিংয়ের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications