• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কাশ্মীরে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে ৩৭০ ধারা বাতিল হতো না, বিতর্কিত দাবি চিদম্বরমের

কাশ্মীর সিদ্ধান্ত নিয়ে একবার মোদীকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি দাবি করেছেন কাশ্মীরে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে মোদী সরকার ৩৭০ ধারা বাতিল করত না। এমনই অভিযোগ করেছেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এবং প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম।

মোদীকে তোপ

মোদীকে তোপ

জম্মু -কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্য ঘোষণা করার সবরকম সুযোগ ছিল। কিন্তু মোদী সরকার সেটা করতে চায়নি। তার অন্যতম কারণ কাশ্মীরে হিন্দুরা সংখ্যা গরিষ্ঠ নয়। মুসলিম প্রধান রাজ্য হওয়ার কারণেই কাশ্মীরকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পেশী শক্তি প্রদর্শনের জন্য কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

কেন ঢুকতে পারছে না সংবাদমাধ্যম

কেন ঢুকতে পারছে না সংবাদমাধ্যম

এই ঘোষণার পর থেকেই কাশ্মীরের অবস্থা অগ্নিগর্ভ কিন্তু কোনও সংবাদ মাধ্যমকেই সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না সেকারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরকার দাবি করছে কাশ্মীর স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে তাহলে কেন কোনও সংবাদ মাধ্যমকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

চিদাম্বরমের অভিযোগ

চিদাম্বরমের অভিযোগ

চিদম্বরম আরও দাবি করেছেন শ্রীনগরে প্রায় ১০,০০০ কাশ্মীরি বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। সেখবর চেপে যাওয়া হচ্ছে। কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা আনতে হলে আরও একাধিক আইন ছিল যেগুলি কার্যকর করা যেত বলে দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা। চিদম্বরমের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং।

পাল্টা দিলেন গিরিরাজ

পাল্টা দিলেন গিরিরাজ

বিজেপি মন্ত্রী দাবি করেছেন মোদী সরকার ৩৭০ ধারা রদ করে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের মুখোস খুলে দিয়েছেন। চিদম্বরম, গুলাম নবি আজাদের মতো নেতারা তিন তালাক, ৩৭০ ধারা বিলোপের মতো প্রকল্পের বিরোধিতা করে নিজেদের আসল েচহারা সকলের সামনে প্রকাশ করে ফেলেছেন।

[কর্ণাটকে ভয়াবহ বন্যা, বিপর্যস্ত জনজীবন, দেখুন দুর্দশার জলছবি]

English summary
Chidambaram reaction on Jammu and kashmir and Article 370
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more