• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    রায়ান স্কুল কাণ্ডে খুনি স্কুলেরই এক ছাত্র, কী কারণে এমন নৃশংস ঘটনা

    হরিয়ানার গুরুগ্রামে রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ছাত্র প্রদ্যুমান ঠাকুরের হত্যার ঘটনায় নয়া মোড়। বুধবার সকালে সিবিআই স্কুলেরই একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে।পরীক্ষা পিছিয়ে দিতেই খুনের পরিকল্পনা, দাবি সিবিআই-এর।

    পরীক্ষা পিছতেই বন্ধুকে হত্যা, গুরুগ্রামে ছাত্র হত্যায় দাবি সিবিআই-এর, গ্রেফতার অপর এক ছাত্র

    রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা জাতীয় শিরোনামে উঠে এসেছিল। গ্রেফতার হওয়া ছাত্রের বাবা সংবাদ মাধ্যমকে এই গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত ভাবে জানিয়েছেন। তবে তাঁর অভিযোগ, ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে।

    গ্রেফতার হওয়া একাদশ শ্রেণির ছাত্রের বাবার অভিযোগ, তাঁর ছেলে দিল্লিতে সিবিআই-এর দফতরে পুরো একদিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তাঁকে আটক করা হয়। ওই ছাত্রের বাবার দাবি, তাঁর ছেলেই প্রদ্যুমনকে ঘটনাস্থলে প্রথম পড়ে থাকতে দেখে।

    সিবিআই-এর তরফে সরকারি কোনও বক্তব্য পাওয়া না গেলেও, জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ছাত্র চাইছিল পরীক্ষা পিছিয়ে যাক। তাই সে প্রদ্যুমনকে হত্যা করেছে।

    যদিও অভিযুক্ত ছাত্রের বাবার অভিযোগ, তাঁর ছেলের ওপর অত্যাচার করেছে সিবিআই। ছেলেকে আটক করার আগে ছেলের সঙ্গে তাঁকে কথাও বলতে দেওয়া হয়নি।

    ঘটনার পরেই উত্তরপ্রদেশের পুলিশ গ্রেফতার করেছিল স্কুল বাসের কন্ডাক্টরকে। সে-সময় ওই কন্ডাক্টর পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি করেছিল, দ্বিতীয় শ্রেণির প্রদ্যুমনকে হত্যা করেছিল সেই।

    এবছরের ৮ সেপ্টেম্বর গুরগাঁও-এর রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বাথরুম থেকে বছর সাতের প্রদ্যুমন ঠাকুরের দেহ উদ্ধার হয়।

    English summary
    The CBI has detained a Class XI student in the Pradyuman Thakur murder case. The arrested student's father, confirming the detention, said CBI told him his son murdered Pradyuman in order to get school exams postponed.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more