ফের দুর্ঘটনার কবলে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাস, কেরল থেকে ফিরতে গিয়ে আহত বাংলার ৭
ফের দুর্ঘটনার কবলে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাস। এর জেরে আহত হলেন বাংলার সাত জন শ্রমিক। পুলিশ সূত্রে খবর, কেরল থেকে বাংলায় ফেরার পথে দুর্ঘটনায় পরিযায়ী শ্রমিকদের বাস। ঘটনায় ৭ জন শ্রমিক আহত। কেরল থেকে কলকাতায় আসার পথে ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে এদিন সকালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।

বাসটিতে মোট ৩৮ জন যাত্রী ছিলেন
বাসটিতে মোট ৩৮ জন যাত্রী ছিলেন। ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর ওই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে পুলিশ। মূলত ট্রেনে টিকিট না পেয়েই এই দীর্ঘ পথ বাসযোগ পারি দিতে বাধ্য হয়েছিলেন এই শ্রমিকরা।

পরিযায়ী ফেরানো নিয়ে মমতার দোনামোনা
এদিকে পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরানো নিয়ে প্রথম থেকেই অনীহা প্রকাশ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে যাতে রেল না আসে তার জন্য আম্ফান পরবর্তী সময়ে রেল মন্ত্রককে চিঠিও লেখে নবান্ন। তবে দুই দিন আগে শুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এখন বাধ্য হয়েই পরিায়ীদের ফেরাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারেকে।

বাংলার সুইডেন মডেল
এদিকে লকডাউনে কাজ হচ্ছে না। চিনও পারেনি। এবার তাই সুইডেন আর তাইওয়ানের মডেলই ভরসা। করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় সেই পথেই হাঁটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেকারণেই সংক্রমণের আশঙ্কা দূরে সরিয়ে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে শহর কলকাতা।

স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চাইছে বাংলা
করোনা সংক্রমণ রুখতে গোটা বিশ্ব যখন লকডাউনের পথে হেঁটেছে তখন ঠিক উল্টো পথ ধরেছে সুইডেন এবং তাইওয়ান। লকডাউন না করে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি এবং ব়্যাপিড টেস্ট জরুরি। এমনটা বিশ্বাস করেই লকডাউনের পথে হাঁটেনি এই দুটি দেশ। তাতে ফল পেয়েছে তারা। এবার সেই পথে হাঁটতে চলেছ পশ্চিমবঙ্গও। আশা করা যায় এই পরিস্থিতিতে পরিযায়ীদের রাজ্যে ফেরাতে কোনও অনীহা প্রকাশ করবে না মমতার সরকার।












Click it and Unblock the Notifications