• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ভোট জিততে এবার অর্থনৈতিক বোঝাপড়ার অভিযোগ বিএস ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে

  • |

কর্ণাটকের প্রাক্তন বিধায়ক নারায়ণ গওদা মঙ্গলবার দাবি করেছেন যে মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা ভোটে জিততে তাকে এক হাজার কোটি টাকা অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার নির্বাচনী এলাকা কৃষ্ণরাজপেটের উন্নয়নের জন্য তাকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থসাহায্য তিনি করেছিলেন বলে এদিন জানান তিনি। বর্তমানে সেই অর্থ এলাকা উন্নয়নের কাজে ব্যয় করা হচ্ছে বলেও জানান ওই বিধায়ক।

ভোট জিততে এবার অর্থনৈতিক বোঝাপড়ার অভিযোগ বিএস ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে

এই প্রসঙ্গে জনতা দল সেক্যুলারের(জেডিএসের) ওই প্রাক্তন বিধায়ক জানান, 'এইচডি কুমারস্বামী সরকার পতনের আগে একদিন ভোর পাঁচটার সময় কেউ আমার বাড়িতে এসে আমাকে বিএস ইয়েদুরাপ্পার বাসায় নিয়ে গেলেন। আমরা যখন তাঁর বাড়িতে যাই, তখন বিজেপির ওই বর্ষীয়ান নেতা পূজা আর্চায় ব্যস্ত ছিলেন। পূজা পাঠ সেরে তিনি আমাকে বসতে বললেন এবং আগামী নির্বাচনে উনি আমাকে তার দলকে সমর্থন করার জন্যও প্রস্তাব দেন যাতে তিনি আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। ’

ওই দিনের কথোপকথন সম্পর্কে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলা সময় নারায়ণ গওদা আরও জানান, ' এরপর কৃষ্ণরাজপেট এলাকার উন্নয়নের জন্য আমি প্রথমে তাকে তাকে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে বলেছিলাম। এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে তিনি বলেন ওই এলাকা উন্নয়নের জন্য তিনি আরও ৩০০ কোটি টাকা সহ মোট ১০০০ কোটি টাকা দেবেন। পরবর্তীকালে ইয়েদুরাপ্পা সেই অর্থ প্রদানও করেন। আপনাদের কি মনে হয় না এরপরও আমার ওনাকে সমর্থন করা উচিত হয় নি ? ’ নিজের এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি ওই বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার থেকে টাকা নিয়েছিলেন বলেও সংবাদমাধ্যমে এদিন সাফ জানান বর্তমানে বরখাস্ত হয়ে যাওয়া ওই জেডিএস বিধায়ক।

English summary
bs yeddyurappa is accused of financial burden to win the vote
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more