আসন্ন নির্বাচণে বড় ফ্যাক্টর ব্রাহ্মণ ভোট, যোগী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে বিশেষ নজর জাতপাতের রসায়নেই
আসন্ন নির্বাচণে বড় ফ্যাক্টর ব্রাহ্মণ ভোট, যোগী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে বিশেষ নজর জাতপাতের রসায়নেই
সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের রেশ ধরেই ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশে বেজে গিয়েছে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বানের দামামা। শেষ মূহূর্তের ঘুঁটি সাজাতে প্রস্তুত শাসক বিরোধী প্রতিটা দলই। এদিকে যোগীর বিজয়রথকে ঠেকাতে ইতিমধ্যেই ছোট দলগুলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার ঘোষণা করে দিয়েছেন সপা প্রধান অখিলেশ যাদব। এমতাবস্থায় এবার ভোটকে সামনে রেখেই উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রিসভাতেও বড়সড় রদবদল করতে চলেছে বিজেপি।

কবে হতে পারে যোগী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ?
এদিকে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ নিয়ে জল্পনা চলছে বিগত কয়েক মাস ধরেই। এমনকী এই সম্প্রসারণ নিয়েই একাধিকবার খবরের শিরোনামেও উঠে এসেছে যোগী-মোদী সংঘাত। এমনকী দ্বন্দ্ব কাটাতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন আদিত্যনাথ। মোদীর সঙ্গেও হয় কথা। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করে দ্বন্দ্বের মেঘ।

ফ্যাক্টর ব্রাহ্মণ ভোট
আর তারপরেই মোদী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণেও একাধিক উত্তরপ্রদেশীয় বিজেপি নেতাকে ঠাঁই পেতে দেখা যায়। আর এতসব কর্মকাণ্ড এত আয়োজন যে আসন্ন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরেই তা আর বলে দিতে হয় না। এবার সেই বিধানসভা নির্বাচনে বাজিমাত করতে রাজ্য মন্ত্রিসভাকে পাখির চোখ করছেন যোগী আদিত্যনাথ। সঙ্গে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে ব্রাহ্মণ ভোটে। ইতিহাস বলছে ২০০৭ সালে এই নীতিতেই ভোটের আগে ময়দানে নেমেছিলেন মায়াবতী। পেয়েছিলেন বড় জয়।

জাত-ধর্মের রসায়নকে মাথায় রাথতে চাইছেন যোগী
তাই এই কাজে অবশ্যই জাত-ধর্মের রসায়নকে মাথায় রাথতে চাইছেন যোগী। কারণ অতীতের রেকর্ড দেখলেই বোঝা যায় লোকসভা হোক বা বিধানসভা, প্রতিক্ষেত্রেই উত্তরপ্রদেশে বড় ফ্যাক্টর হয়েছে এই জাতপাতের রসায়নই। এদিকে নিয়ম অনুযায়ী উত্তরপ্রদেশে মন্ত্রিসভায় সর্বোচ্চ ৬০ জন মন্ত্রী থাকতে পারেন। বর্তমানে সংখ্যাটা রয়েছে ৫৪। এমতাবস্থায় আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগেই আরও ৬ জন নতুন করে দায়িত্ব পেতে চলেছেন বলে জানা যাচ্ছে।

টিকিট পেতে পারেন জিতিন প্রসাদ
এদিকে ভোটের রণকৌশল ঠিক করতে রাজধানী লখনউয়ে বিজেপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হল রবিবার। সেখানেও যোগী মন্ত্রিসভার সম্প্রয়ারণ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এদিকে শুরু থেকেই উত্তরপ্রদেশে বিজেপির চিন্তা ছিল এই ব্রাহ্মণ ভোট, তাই কংগ্রেস ভাঙিয়ে ইতিমধ্যেই জিতিন প্রসাদকে নিজেদের দলে ভিড়িয়েছেন। সেই জিতন প্রসাদও এবার গুরু দায়িত্ব পেতে পারেন বলে থবর।












Click it and Unblock the Notifications