• search

কোনও মতে 'ব্যবস্থা' করে জওয়ানদের দেহ আনা নিয়ে ক্ষোভ সেনার একাংশেই

  • By Soumik Bose
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কোনওভাবে দড়ি দিয়ে বেঁধে কার্ডবোর্ডের ভাঙা বাক্সে করে সাত জওয়ানের দেহ আসা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিল খোদ সেনার মধ্যেই। কাজ চালানোর মত জিনিস দিয়ে জওয়ানদের দেহ বেঁধে নিয়ে আসাকে অনেকেই মতিভ্রম বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী নিহত সেনা জওয়ানদের সবসময়েই পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়। এই সাত বায়ুসেনার জওয়ান গত শুক্রবার অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যান।

    কোনও মতে 'ব্যবস্থা' করে জওয়ানদের দেহ আনা নিয়ে ক্ষোভ সেনার একাংশেই

    তাওয়ং থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত এভাবে দেহ নিয়ে আসা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সেনাবাহিনীর একাংশ। রিটায়ার্ড লেফ্টেন্যাান্ট জেনারেল এইচ এস পানাগ টুইট করে বলেন, দিনের আলোয় সাত জওয়ান দেশের প্রতি কর্তব্য করতে বেরলেন, আর এইভাবে তাঁরা ফিরে এলেন।

    এদিকে এই ক্ষোভের আঁচ পেয়েই ভারতীয় সেনার এডিজি-র পক্ষ থেকে টুইট করে বলা হয়, পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিহত জওয়ানদের প্রাপ্য, মৃতদেহ রাখার ব্য়াগ অথবা কফিনে করেই ওই জওয়ানদের দেহ তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনো হবে।

    এদিকে এইচ এস পানাগের এমন টুইট নিয়েও বিতর্ক দানা বাঁধল। যেরকম দুর্গম জায়গা থেকে জওয়ানদের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে পানাগ কীভাবে বডি ব্যাগ বা কফিন আশা করছেন সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। তাহলে একজন প্রাক্তন সেনা আধিকারিক হয়ে পানাগ সেনারই সব নিয়ম কানুন, নীতি ভুলে গেলেন, এই প্রশ্নও বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। অনেকের মতে, আম আদমি পার্টিতে যোগ দেওয়া লেফ্টেন্যান্ট পাগান এখন শুধুই রাজনীতি বোঝেন, এবং রাজনীতি করতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিষ উগরে দিতেও পিছপা হন না তিনি।

    English summary
    7 IAF jawans who died in chopper crash at Arunachal Pradesh bought to Guwahati in local resources, Army says an 'aberration'

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more