একদিকে বিক্ষুব্ধ প্রবীণরা অন্যদিকে প্রার্থীপদ নিয়ে মতানৈক্য! শেষ পর্যন্ত ইয়েদুরাপ্পা শরণে বিজেপি নেতৃত্ব
বৃহস্পতিবার থেকে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ শুরু হলেও, এখনও ১২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি রয়েছে বিজেপির। প্রার্থী তালিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রবীণ নেতারা। অনেকেই বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে বিজেপি রাজ্য ইউনিট বিএস-এর শরণাপন্ন হয়েছে।
রাজ্য বিজেপির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ইয়েদুরিয়াপ্পার কট্রর সমর্থকরা বলছেন, মহাভারতে যেখানে বিধুরা পাণ্ডব এবং কৌরব উভয়ের মার্গদর্শক এবং পরামর্শদাতা ছিলেন, ঠিক সেরকমেই রাজ্য বিজেপিতে বিদ্রোহ গুরুতর দিকে যাওয়ার আগে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন বিধায়ককে বাদ দিয়ে নতুন মুখ আনা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দলে বিদ্রোহ জোরদার হয়ে ওঠে। সূত্রের খবর অনুযায়ী দলের সভাপতি জেপি নাড্ডা টেলিফোনে বিষয়টি নিয়ে ইয়েদুরিয়াপ্পার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর হস্তক্ষেপ চান।
জানা গিয়েছে, বিজেপির তরফে যাঁদেরকে টিকিট দেওয়া হয়নি এবং যাঁরা নির্দল হিসেবে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছেন কিংবা পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইয়েদুরিয়াপ্পাকে। দলের নেতারা বলছেন, বর্তমান সংকট একমাত্র বিএসই সমাধান করতে পারেন। কারণ বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে তাঁরই ভাল সম্পর্ক রয়েছে।

অন্যদিকে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুরোধ সম্পর্কে বিএসওয়াই বলেছেন, তিনি সমস্যার সমাধানের জন্য সবরকমের চেষ্টা করবেন। ব্যাঙ্গালোর দক্ষিণ জেলার সভাপতি এনআর রমেশকে টিকিট না দেওয়ার কারণে স্থানীয় ইউনিট থেকে বারোশোর বেশি বিজেপি কর্মী-সমর্থক পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার, প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী কেএস ঈশ্বরাপ্পা, লক্ষ্মণ সাভাদি, প্রাক্তন মন্ত্রী এস আঙ্গারা, তিনবারের বিধায়ক রঘুপতি ভাট কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণার পরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিএসওয়াইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। যেভাবে তাঁদেরকে টিকিট থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তা নিয়ে এইসব নেতারা ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

এঁদের মধ্যে ঈশ্বরাপ্পা এবং আঙ্গারা রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে শেট্টার এবং সাভাদি দলীয় নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন প্রয়োজনে তাঁরা নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে শেট্টারের হুমকিই সব থেকে বড়। কেননা তিনি ছয়বার ওই আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।
বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বুধবার নাড্ডার সঙ্গে দিল্লিতে গিয়ে কথা বলেন জগদীশ শেট্রার। বৈঠকের পরে তিনি অবশ্য টিকিট পাওয়ার ব্যাপারে নিজের আশাবাদী হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
-
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে











Click it and Unblock the Notifications