আস্থা ভোটের শুরুতেই জোড়া ধাক্কা মোদীর, এবার বিজেডি-র অনাস্থা প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত
প্রথম আঘাতটা এসেছিল শিবসেনার কাছ থেকে। শিবসেনা জানিয়েছিল, তারা আস্থা ভোটে অংশ নিচ্ছেন না। শুক্রবার সেই আঘাত প্রাপ্তির পরক্ষণেই আরও এক আঘাত নেমে এল বিজেপি শিবিরে।
প্রথম আঘাতটা এসেছিল দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী শিবসেনার কাছ থেকে। শিবসেনা জানিয়ে দিয়েছিল, তাদের কোনও সাংসদ আস্থা ভোটে অংশ নিচ্ছেন না। শুক্রবার সেই আঘাত প্রাপ্তির পরক্ষণেই আরও এক আঘাত নেমে এল বিজেপি শিবিরে। বিজেডি এই আস্থা ভোটে তাদের সঙ্গে থাকবে আশা করেছিল মোদী-শিবির। কিন্তু আলোচনার শুরুতেই কক্ষত্যাগে বিজেডি অনাস্থা প্রদর্শনই করল।

শিবসেনার ভোটাভুটিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই, বিজেডজির এই কক্ষত্যাগ বিজেপির পক্ষে সুখকর নয়। যদিও শিবসেনা বা বিজেডির সিদ্ধান্তে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে না। কেননা বিজেপির একার কাছেই পর্যাপ্ত সংখ্যা রয়েছে। কিন্তু শিবসেনা ও বিজেডির সিদ্ধান্ত এনডিএ-শিবিরে বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আস্থাভোটের আগেই বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ উদ্যোগ নিলেও এবং খোদ নরেন্দ্র মোদী আসরে নেমে পেপ-টক দিলেও যে কাজের কাজ কিছুই হয়নি, এদিন সকালে শিবসেনা ও বিজেডির সিদ্ধান্তে তা প্রমাণিত। উদ্ধব আস্থাভোটে বিজেপিকেই সমর্থন করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন অমিত শাহ। বিজেডিও তাঁদের পক্ষে থাকবে বলে বিশ্বাস ছিল মোদী শিবিরের। কিন্তু শিবসেনা ও বিজেডি উভয়েই প্রতিবাদ জারি রেখেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তারা বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপির সঙ্গে না থাকলেও, তারা কংগ্রেসের সঙ্গেও নেই।
Biju Janata Dal (BJD) walks out of the Lok Sabha ahead of #NoConfidenceMotion pic.twitter.com/0fKHuRZGju
— ANI (@ANI) July 20, 2018
এই আস্থা ভোটে কেন্দ্রের মোদী সরকার থাকবে কি থাকবে না- সেটা মুখ্য বিষয় নয়। এই আস্থাভোটে একদিকে যেমন এনডিএ-র ঐক্য ও ক্ষমতা প্রদর্শন একটা ব্যাপার, তেমনই বিরোধী বিরোধী কতটা জোটবদ্ধ হতে পারল ২০১৯-এর আগে সেটাও বড় ব্যাপার। শুক্রবার সংসদের বাদল অধিবেশন সেই চিত্রটাই কতখানি স্পষ্ট করে তাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications