• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বিজেপি শাসিত রাজ্যে ভয়ানক পরিস্থিতি! গত ৩ মাসে ১৩২ গ্রামে জন্ম নেয়নি কোনও কন্যা সন্তান

কেন্দ্রীয় সরকার আগ্রাসীভাবে দেশে কন্যা সন্তানের সংখ্যা বাড়াতে চায়। সেজন্য বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও স্কিমও চালু করেছে। তার মধ্যেই ভয়ানক

পরিস্থিতি উত্তরাখণ্ডে। সেখানকার উত্তরকাশী জেলার ১৩২ টি গ্রামে গত ৩ মাসে জন্ম নেয়নি কোনও কন্যা সন্তান। সমাজকর্মীদের অভিযোগ কন্যা ভ্রুণ হত্যার জেরেই এই ঘটনা।

বিজেপি শাসিত রাজ্যে ভয়ানক পরিস্থিতি! গত ৩ মাসে ১৩২ গ্রামে জন্ম নেয়নি কোনও কন্যা সন্তান

সরকারি তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, গত তিন মাসে ওই ১৩২ টি গ্রামে ২১৬ টি শিশুর জন্ম হয়েছে। যদিও এইসব সদ্যোজাতের মধ্যে নেই কোনও কন্যা সন্তান। এই রিপোর্টে জেলা প্রশাসনও বিপাকে পড়েছে।

জেলাশাসক ড. আশিক চৌহান জানিয়েছেন, যেসব এলাকায় কন্যা সন্তান একেবারেই জন্ম নেয়নি কিংবা এক ডিজিটে রয়েছে, সেইসব জায়গাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। কারণ জানতে চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি এলাকায় বিস্তারিত সার্ভে করে কারণ জানার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও তিনি 'আশা' কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। তাঁদেরকে এলাকায় নজরদাবি চালাতে জোর দিয়েছেন। এরপর রিপোর্ট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন। এই বৈঠকে গঙ্গোত্রীর বিধায়ক গোপাল রাওয়াতও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় সমাজ কর্মী কল্পনা ঠাকুর অভিযোগ করে বলেছেন, কন্যা সন্তানের জন্ম না হওয়ায় কন্যা ভ্রুণের হত্যা। সেই কারণে এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। তিন মাসে ১৩২ টি গ্রামে কোন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়নি, এটা কখনও হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এটা পরিষ্কার যে জেলায় কন্যা ভ্রুণ হত্যার ঘটনা ঘটছে। সরকার কিংবা প্রশাসন এবিষয়ে কিছুই করছে না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

English summary
Birth data from 132 villages in Uttarkashi district reveals no girl born in last three months.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more