• search

বিহারে সেতু ভেঙে জলের তোড়ে ভেসে গেল মা ও মেয়ে, ভাইরাল ভিডিও

  • By Sritama Mitra
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বন্যাপরিস্থিতি ক্রমাগত ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে বিহারে। সেরাজ্যের আরারিয়া জেলায় প্লাবনের জলের তোড়ে ভেসে যায় দুই শিশু সহ মা । বিহারে একটি সেতুর ওপর দিয়ে পার হওয়ার সময়ে হঠাৎই সেটি জলের তোড়ে ভেঙে চলে যায়, সঙ্গে তলিয়ে যান ৩ জন। এই মর্মান্তিক ঘটনার ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত বিহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ জন।

    প্রবল প্লাবনে বিহারের ১৫ টি জেলা চুড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত। চম্পারন, মধেপুরা, সীতামারহি, কিষানগঞ্জ সহ একাধিক জেলায় মহাপ্লাবনে মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। গোটা রাজ্যে বন্যার জেরে বিপর্যস্ত ৯৩ লক্ষ মানুষ। এদিকে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে স্কুল, কলেজের পরীক্ষা।

    বিহারে সেতু ভেঙে জলের তোড়ে ভেসে গেল মা ও মেয়ে, ভাইরাল ভিডিও

    নেপালের ভারী বর্ষণের জেরে বিহারের বন্যাপরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে । বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের উত্তারংশে বন্যায় ৭২ জনের মৃত্যুর উল্লেখ করা হয়। তবে বিগত কয়েকঘণ্টায় সেই সংখ্যা গিয়ে ছুঁয়েছে ৯৮ জনে। সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন আরারিয়া জেলাতে, এপর্যন্ত সেখানে মৃতের সংখ্যা ২০ জন। বাকি, পূর্ব চম্পারনে ১৮, পস্চিম চম্পারনে ১৩, মাধেপুরায় ১২, সীতামারহিতে ১১, কিষানগঞ্জে ৮, পূর্ণিয়ায় ৫ , মধুবিতে ৫ জন মারা গিয়ছেন। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রমাগত আসছে মৃত্যুর খবর।

    হাওয়া অফিস সূত্রের খবর , আগামী আরো এক সপ্তাহ দক্ষিণ বিহার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বাস্তির খবর এটাই , যে নেপাল ও উত্তরবিহারে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    English summary
    Three people including two children got washed away along with a bridge in Araria district of Bihar on August 13. The video, captured by a local, has gone viral on social media.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more