• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা সঙ্কটে তথ্য প্রকাশে অনীহা যোগী রাজ্যের, একই চিত্র নীতীশের বিহারেও

করোনা ঝড়ে বিধ্বস্ত গোটা দেশ। লকডাউন, আংশিক লকডাউন, কনটেইনমেন্ট জোন করার পরেও তা কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসতে চাইছে না। এ রকম পরিস্থিতিতে স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে, যেখানে তুলে ধরা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে কোভিড–১৯ আক্রান্তের তথ্যে বিশাল ফাঁক ও বৈষম্য রয়েছে।

সবার চেয়ে পিছিয়ে বিহার ও উত্তরপ্রদেশ

সবার চেয়ে পিছিয়ে বিহার ও উত্তরপ্রদেশ

কোভিড-১৯ তথ্যের রিপোর্টে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য হিসাবে নাম রয়েছে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের। অন্যদিকে কর্নাটকের রিপোর্ট দারুণ। যদি ভারতে কোভিড-১৯-এর মান মাত্র ০.‌২৬, যা সারা দেশের দুর্বল চিত্রটি তুলে ধরেছে। এই সমীক্ষার নাম রাখা হয়েছে ‘‌ভারত জুড়ে কোভিড -১৯ ডেটা রিপোর্টিংয়ের গুণমানের মধ্যে বৈষম্য'‌। যা এখনও পাক্ষিক। সমীক্ষায় এও দেখা গিয়েছে যে মাত্র ১০টি রাজ্য কোভিড-১৯ প্রবণতায় তাদের দৃশ্যমান প্রতিনিধিত্ব সরবরাহ করেছে, বাকি ১০টি রাজ্য বয়স, লিঙ্গ, রোগীর দু'‌টি রোগের অবস্থান বা জেলার কোনও রিপোর্ট সরবরাহ করেনি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, পাঞ্জাব এবং চণ্ডীগড়। এই দুই রাজ্য কোয়ারেন্টাইনে থাকা স্বতন্ত্র ব্যক্তিদের গোপনীয়তার সঙ্গে আপোস করে তাঁদের ব্যক্তিগত পরিচিতি ও অন্যান্য তথ্য সরকারি ওয়েবসাইটে দেয়নি।

তথ্য প্রকাশ করতে অক্ষম এই রাজ্যগুলি

তথ্য প্রকাশ করতে অক্ষম এই রাজ্যগুলি

শ্রেষ্ঠ ডেটা রিপোর্টে এগিয়ে রয়েছে কর্নাটক (‌০.‌৬১)‌, কেরল (‌০.‌৫২)‌, ওড়িশা (‌০.‌৫১)‌, পুদুচেরি (‌০.‌৫১)‌ ও তামিলনাড়ু (‌০.‌৫১)‌। অন্যদিকে ডেটা রিপোর্টে পিছিয়ে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ (‌০.‌০)‌, বিহার (‌০.‌০)‌, মেঘালয় (‌০.‌১৩)‌, হিমাচল প্রদেশ (‌০.‌১৩)‌ এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (‌০.‌১৭)‌। বিহার ও উত্তরপ্রদেশ এই দুই রাজ্য তাদের কোভিডের কোনও তথ্য সরকারি বা স্বাস্থ্য বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেনি। তাই তাদের কোভিড-১৯ ডেটা রিপোর্টিং সংখ্যা শূণ্য। বিহার তাও টুইটারের মাধ্যমে কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে।

এই দুই রাজ্য সবচেয়ে বেশি তথ্য প্রকাশ করেছে

এই দুই রাজ্য সবচেয়ে বেশি তথ্য প্রকাশ করেছে

কর্নাটক ও পাঞ্জাব সবচেয়ে বেশি করোনা ভাইরাসের তথ্য প্রকাশ করেছে। উভয় রাজ্যই প্রতিদিনের মোট নিশ্চিত কেসের সংখ্যা, মৃত ও সুস্থ হয়ে ওঠার পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এমনকী তারা আইসিইউতে কতজন কোভি রোগী ভর্তি রয়েছেন তারও তথ্য সরবরাহ করেছে। দৈনিক বুলেটিন আকারে উভয় রাজ্য থেকেই ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায়।

কর্নাটক–কেরল গ্রাফিক্স করে কোভিড–১৯ এর তথ্য প্রকাশ করেছে

কর্নাটক–কেরল গ্রাফিক্স করে কোভিড–১৯ এর তথ্য প্রকাশ করেছে

যে সমস্ত রাজ্যের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তার মধ্যে অসম, হিমাচল প্রদেশ এবং মেঘালয় তথ্য উপলব্ধির জন্য সর্বনিম্ন নম্বরে রয়েছে। কারণ তারা শুধু নিশ্চিত কেস, মৃত ও সুস্থ হয়ে ওঠার মোট সংখ্যা প্রকাশ করেছে। কোভিড-১৯ ডেটা দেশের ৮৩ শতাংশ রাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইটে উপলব্ধ। দশটি রাজ্য দৃশ্যমান প্রতিনিধিত্ব সরবরাহ করে কোভিড-১৯-এর রিপোর্টকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলে। এই বিভাগে অবশ্যই এগিয়ে রয়েছে কর্নাটক ও কেরল (‌০.‌৭৫)‌। এই দুই রাজ্য কোভিড-১৯-এর মোট সংখ্যা ও দৈনিক আক্রান্তের প্রবণতা, নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা,মৃত্যু ও সুস্থ হয়ে ওঠার হারের গ্রাফিক্স করে দেখিয়েছে। এছাড়াও কর্নাটক ও তামিলনাড়ু একমাত্র এই দুই রাজ্যই প্রত্যেক মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ বিবরণ (‌অন্য রোগের তথ্যসহ)‌ প্রকাশিত করেছে।

এই রাজ্যগুলি তথ্য প্রকাশে পিছিয়ে রয়েছে

এই রাজ্যগুলি তথ্য প্রকাশে পিছিয়ে রয়েছে

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দিল্লি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, চণ্ডীগড়, গোয়া, হিমাচল প্রদেশ, মেঘালয়, তেলঙ্গানা ও উত্তরপ্রদেশ বয়স, লিঙ্গ, অন্য কোনও রোগ রয়েছে কিনা বা জেলাভিত্তিক তথ্য, কোভিড-১৯-এ মৃত্যুর হার কোনও কিছুর তথ্যই প্রকাশ করেনি তাদের সরকারি ওয়েবসাইটে।

কোভিড–১৯ ডেটা রিপোর্টিংয়ের ঘাটতির প্রভাব

কোভিড–১৯ ডেটা রিপোর্টিংয়ের ঘাটতির প্রভাব

এই সমীক্ষা চালানো হয়, ১৯ মে থেকে শুরু করে ১ জুন দু'‌সপ্তাহের মধ্যে। এই সময়কালে ২৯টি রাজ্যে মূল্যায়ন চালানো হয়। প্রতিটি রাজ্যে প্রথম করোনা কেস ১৯ মে-এর আগে কমপক্ষে ৩০ দিন আগে প্রকাশিত হয়েছিল। অতএব, এই রাজ্যের প্রত্যেকটির উচ্চমানের ডেটা রিপোর্টিং সিস্টেম তৈরির জন্য মূল্যায়নের আগে কমপক্ষে এক মাস সময় ছিল। রাজ্য জুড়ে সিডিআরএসের বৈষম্যটি জাতীয়, রাজ্য এবং স্বতন্ত্র স্তরে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানকে তুলে ধরেছে।

প্রথমত, দেশের কোভিড-১৯ সংহত কাঠামোর রিপোর্ট এবং রাজ্যগুলির দ্বারা সম্পাদিত ডেটা রিপোর্টিংয়ের মানের নিরীক্ষণ বা নিরীক্ষণের জন্য কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার প্রয়োজন, এই দুইয়ের সমন্বয়ের অভাব লক্ষ্য করা যায়। সংহত পরিকাঠামো ব্যতীত বিভিন্ন রাজ্য থেকে ডেটা একত্রিত করা, তাদের কাছ থেকে অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করা এবং মহামারি সম্পর্কিত জাতীয় প্রতিক্রিয়া সমন্বয় করা কঠিন। এটি স্বচ্ছতার পরিচয় দেয় এবং সরকারের প্রতি জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধি করে। জনসাধারণের কাছে সঠিক তথ্য থাকলে সংযোজন আরও সহজ হয়।

দ্বিতীয়ত, এটি ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় বা সংস্থান ভাগের অপ্রতুলতা প্রতিফলিত করে। আগামী মাসগুলিতে মানুষ এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতায়াত করবে তাই রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি। যদিও এই কম সময়ের মধ্যে কখনই উচ্চ-মান যুক্ত ড্যাশবোর্ড গঠন করা সম্ভব। তবে তারা অন্য রাজ্যগুলিকে অনুসরণ করে সেরা ডেটা রিপোর্টিং অনুশীলনগুলি থেকে সহায়তা চাইতে এবং শিখতে পারে।

তৃতীয়ত, বৈষম্য রিপোর্টিং নম্বর জনস্বাস্থ্যের তথ্যে পৃথক গ্রহণযোগ্যতার বৈষম্য এবং রাজ্যবাসীর গোপনীয়তা সংরক্ষণকে প্রতিফলিত করে। এই বৈষম্যের ফলে রাজ্যস্তরের প্রচেষ্টা কেন্দ্রের জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে খাপ খায় না। যার ফলে বৃহত্তর ফাঁকের সৃষ্টি হয়।

এপ্রিলের পর ফের চিনে ভয়াবহ করোনা সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের নিরিখে নতুন রেকর্ড

English summary
bihar and uttar pradesh are worst state in the release of coronavirus data
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X