ভারত বায়োটেকের যুগান্তকারী পদক্ষেপ! ৫০০ মিলিয়ান কোভ্যাক্সিনের ডোজ কেন্দ্রকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত
দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ ফের বাড়তে চলেছে। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ সেরে নিতে বলছেন ডাক্তাররা। এই অবস্থায় কার্যত গোটা দেশে একাধিক রাজ্যে ভ্যাকসিনের জন্যে একটা হাহাকার তৈরি হয়েছে।
দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ ফের বাড়তে চলেছে। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ সেরে নিতে বলছেন ডাক্তাররা। এই অবস্থায় কার্যত গোটা দেশে একাধিক রাজ্যে ভ্যাকসিনের জন্যে একটা হাহাকার তৈরি হয়েছে।

খোদ কলকাতাতে কোভ্যাক্সিনের অভাব দেখা দিয়েছে। আর অভাবের কারণে আজ শুক্রবার থেকে কোভ্যাক্সিন দেওয়ার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় কেন্দ্রকে ৫০০ মিলিয়ান কোভ্যাক্সিনের ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ভারত বায়োটেক।
আজ শুক্রবার ভারত বায়োটেকের তরফে জানানো হয়েছে যে, গোটা দেশজুড়ে চলা ঠিকাকরন প্রক্রিয়াতে সামিল হতেই কেন্দ্রকে দ্রুত এই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে।
কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে সুচিত্রা এলা, সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। সংস্থার হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, পুনে, অংকেলেশ্বরে এই চার শহরে এই মুহূর্তে কোভ্যক্সিন তৈরির কাজ চলছে।
তিনি জানিয়েছেন, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে কোভ্যাক্সিনের পথ চলা শুরু হয়েছে। আগামিদিনেও ভ্যাকসিন তৈরির কাজ এভাবেই চলবে। তিনি আরও বলেন, দেশজুড়ে চলা ঠিকা করণ প্রক্রিয়ার জন্যে ৫০ কোটী ডোজ কো ভ্যাক্সিন সরকারের হাতে তুলে দিতে বন্ধপরিকর ভারত বায়োটেক।
সুচিত্রা এলা জানিয়েছেন, ডিসিজিআই-য়ের কাছে কো ভ্যাক্সিনের তৃতীয় ফেজের ট্রায়ালের রিপোর্ট জমা পড়েছে। করোনার সমস্ত ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে এই ভ্যাকসিন কার্যকর কিনা তা এই মুহূর্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কোভ্যাক্সিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের গবেষণা রিপোর্টে ভারত বায়োটেক দেখেছে যে উপসর্গ যুক্ত করোনার ক্ষেত্রে ৭৭.৮ শতাংশ কার্যকর এই ভ্যাকসিন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে ৬৫.২ শতাংশ কার্যকর। এছাড়াও মারাত্মক উপসর্গ যুক্ত করোনার বিরুদ্ধে 93.4 শতাংশ কার্যকারিতা রয়েছে এই ভ্যাকসিনের।
সুচিত্রাদেবী আরও জানিয়েছেন যে, শুধু করোনার ক্ষেত্রে নয়, যে কোনও রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদনের ক্ষমতা অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের অনেক বেশি।












Click it and Unblock the Notifications