কংগ্রেসের ঘরেই 'বিশ্বাসঘাতক'! বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভায় বিজেপির প্রথম আসন প্রাপ্তির পিছনে যে কারণ
এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির একার লক্ষ্য ৩৭০ পার। সেই লক্ষ্যে এগোতে গিয়ে বিজেপি প্রথম আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পেয়ে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাত থেকে। সুরাত আসনে কংগ্রেস প্রার্থীচর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাওয়ায় সেই আসনে বিজেপি প্রার্থী মুকেশ দালাল ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছেন।
তবে এক্ষেত্রে বিশ্বাসঘাতকতা যে কংগ্রেসের অন্দর মহলেই হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কংগ্রেস মনোনয়ন বাতিল নিয়ে আদালতে যাওয়ার কথা বললেও, সূত্রের খবর সুরাতের কংগ্রেস প্রার্থী নীলেশ কুম্ভানি এই সপ্তাহেই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন।

প্রার্থীর বাড়ির বাইরে বিক্ষোভ
যদিও কংগ্রেস কর্মীরা এর প্রতিবাদ করেছেন। কংগ্রেস কর্মীরা ইতিমধ্যেই নীলেশ কুম্ভানির বাড়ির বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাঁকে বিশ্বাসঘাতক এবং গণতন্ত্রের খুনি বলেও অভিহিত করেছেন কংগ্রেস কর্মীরা।
প্রস্তাবকদের স্বাক্ষরে অনিয়মের অভিযোগ
সুরাতের বিজেপি প্রার্থী মুকেশ দালাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেতেই প্রচারের আলোয় চলে এসেছেন কংগ্রেস প্রার্থী নীলেশ কুম্ভানি। বিজেপি প্রার্থীর জয়ের আগে নীলেশ কুম্ভানির মনোনয়ন বাতিলের কথা জানায় নির্বাচন কমিশন। জানিয়ে দেওয়া হয় প্রস্তাবকদের স্বাক্ষরেই অনিয়ম হয়েছিল। অর্থাৎ আগে থেকেই কংগ্রেস প্রার্থী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।
বাকি প্রার্থীরাও প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেন
কংগ্রেস প্রার্থী নীলেশ কুম্ভানির মনোনয়ন বাতিলের পরে বিজেপিকে বাদ দিয়ে সুরাত কেন্দ্রের বাকি আট প্রার্থী তাঁদের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নেন। যে কারণে নির্বাচন কমিশন বিজেপি প্রার্থী মুকেশ দালালকে জয়ী ঘোষণা করে। এব্যাপারে মুকেশ দালালের হাতে জয়ীর সার্টিফিকেটও তুলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কংগ্রেসের অভিযোগ
যদিও কংগ্রেস সুরাতের বিজেপি প্রার্থী মুকেশ দালাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পরেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। তাদের অভিযোগ প্রভাব খাটিয়ে মুকেশ দালালকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। কংগ্রেস এই আসনে নতুন করে নির্বাচনের দাবিও তুলেছে। তারা আরও দাবি করেছে, বিজেপি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে ভয় পেয়েছিল, সেই কারণে সুরাত আসনে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা করেছে।
গুজরাতে নির্বাচন তৃতীয় দফায়
প্রসঙ্গত গুজরাতের বাকি ২৫ টি আসনে নির্বাচন হতে চলেছে সাতই মে, তৃতীয় দফায়। যার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ১৯ এপ্রিল এবং তা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ২২ এপ্রিল। সুরাত আসনটি গত ১৯৮৯ সাল থেকে বিজেপির দখলে রয়েছে। এই কেন্দ্র থেকেই পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই।












Click it and Unblock the Notifications