স্বামীকে 'শিক্ষা' দিতে মেয়েকে খুন, বেঙ্গালুরুর ঘটনায় শিউরে উঠবেন

  • Posted By: Soumik
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মানসিক অবসাদের জেরে নিজের সাত বছরের প্রতিবন্ধী মেয়েকে পরপর দুবার তিনতলা থেকে ছুঁড়ে ফেলে খুন করলেন বেঙ্গালুরুর এক বাঙালী মহিলা। বেঙ্গালুরুর জারাগানাহাল্লি এলাকার এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ স্বাতী সরকার নামে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে।

    স্বামীকে 'শিক্ষা' দিতে মেয়েকে খুন, বেঙ্গালুরুর ঘটনায় শিউরে উঠবেন

    ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার দুপুরে। প্রত্যক্ষদর্শীরা রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় সাত বছরের ইশিকাকে পড়ে থাকতে দেখে প্রথমে ভেবেছিলেন সে হয়ত ব্যালকনি থেকে কোনওভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে গিয়েছে। তাকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই ইশিকার মা স্বাতী সরকার নিচে এসে মেয়ে তুলে নিয়ে ওপরে উঠে যান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রতিবন্ধী মেয়েকে ফের ব্যালকনি থেকে ছুঁড়ে ফেলে মা। এরপর আর বাঁচানো যায়নি তাকে। এই ঘটনার পর স্বাতী পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে ইলেক্ট্রিক পোস্টের সঙ্গে বেঁধে ফেলে উত্তেজিত জনতা। পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দশেক আগে স্বামী কাঞ্চন সরকারের সঙ্গে বেঙ্গালুরু আসেন পশ্চিমবঙ্গের স্বাতী। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে নানা কারণে বনিবনা না হওয়ায় স্বাতী মেয়েকে নিয়ে আলাদাই থাকত। স্বাতীর অভিযোগ, কাঞ্চন মেয়ের কোনও দায়িত্ব নিতেই রাজি ছিল না। এরপরই একমাত্র মেয়েকে খুন করে স্বামীকে শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা স্বাতী।

    এই ঘটনার তদন্তে নেমে কাঞ্চনেরও বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। কাঞ্চন জানিয়েছন, স্ত্রীর দুর্ব্যবহারে বিরক্ত হয়েই বাড়ি ছেড়েছেন তিনি। কিন্তু স্বাতী যে এমন কাণ্ড ঘটাবেন তা তিনি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি বলে দাবি করেছেন কাঞ্চন ।

    [আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের সামনেই শিক্ষিকার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ব্যবসায়ীর, বেঙ্গালুরুর ঘটনায় ছিঃ ছিঃ]

    English summary
    A depressed woman in Bengaluru kills daughter by throwing her twice from third floor, the woman hails from Bengal.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more