• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কমলনাথের শপথে বিরল ছবি! দলমত নির্বিশেষে 'মামা'-র প্রশংসা

মধ্যপ্রদেশে কমলনাথের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে, রাজনীতির বিরল ছবি ধরা পড়ল ক্যামেরায়। মঞ্চে হাজির রাজ্যের তিন বারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। যিনি সদ্য প্রাক্তন হয়েছেন। হাসি মুখে ছবি তুললেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং কমলনাথের সঙ্গে। শিবরাজের এই আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে সব মহলে।

কমলনাথের শপথে বিরল ছবি! দলমত নির্বিশেষে মামা-র প্রশংসা

শিবরাজ যখন ভোপালে কমলনাথেক সঙ্গে ছবি তুলছেন, প্রায় তখন দিল্লিতে তাঁর দলীয় সহকর্মীরা শিখ বিরোধী দাঙ্গা নিয়ে আক্রমণ করছেন কমলনাথকে। ১৯৮৪-র ৩১অক্টোবর ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর দিল্লিতে শিখ বিরোধী দাঙ্গায় মদত দেওয়ার অভিযোগে আদলত দোষী সাব্যস্ত করেছে কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমারকে। বিজেপির অভিযোগ সেই ঘটনায় যুক্ত ছিলেন কমলনাথও।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি কমলনাথকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, যে সময় ৮৪-র শিখ বিরোধী দাঙ্গার রায় এল, সেই সময় এক সিনিয়র নেতাকে মন্ত্রী বানানো হল। শিখরা সেই নেতাকে দাঙ্গায় মদতদাতা বলেই মানেন বলে দাবি করেছেন জেটলি।

পাল্টা জবাব দিয়েছেন কমলনাথও। তিনি বলেছেন, ১৯৯১-এ এবং পরবর্তীকালে নানা সময়ে তিনি মন্ত্রিত্বর শপথ নিয়েছেন। কেউ তখন কিছু বলেনি। বিষয়টি নিয়ে কোনও মামলা, এফআইআর কিংবা চার্জশিটের কথা তিনি জানেন না। ফলে এমন একটা দিনে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, যার পিছনে রাজনীতি রয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।

কমলনাথের শপথে বিরল ছবি! দলমত নির্বিশেষে মামা-র প্রশংসা

এদিকে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর আচরণকে দয়াশীল বলে মন্তব্য করেছে বিজেপি। মুখপত্র রাহুল কোঠারি বলেছেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এই মতাদর্শে বিশ্বাস করেন, যে বিজয় কিংবা পরাজয় রাজনীতিতে ঘটেছে, সেখানে তিক্ততার কোনও জায়গা নেই।

গণনার সময়ই নিজের সরকারের পরাজয় নিশ্চিত বুধতে পারে পদত্যাগ করেছিলেন টানা ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকা মামা। স্থানীয় মানুষের কাছে শিবরাজ সিং চৌহান মামা বলেই পরিচিত।

English summary
At Kamal Nath's Oath, Predecessor Shivraj Singh Chouhan Wins Hearts
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more