• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ফিরে দেখা ২০২০ : একনজরে ব্যালট বক্সে কেজরিওয়াল, পদ্ম শিবিরের ধারাবাহিকতা

করোনা আবহে দেশে এবছরও অনুষ্ঠিনিত হয়েছে দুটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। দিল্লি এবং বিহারের বিধানসভা নির্বাচন ছাড়াও দেশ এবছর দেখেছে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল মধ্যপ্রদেশের উপনির্বাচন। কারণ এই উপনির্বাচনের উপরই নির্ভর করে ছিল সরকাররের স্থায়িত্ব। একনজরে এবছরের নির্বাচনী লড়াইগুলি দেখে নেওয়া যাক।

দিল্লি নির্বাচনে জয়ী কেজরিওয়াল

দিল্লি নির্বাচনে জয়ী কেজরিওয়াল

দিল্লি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিল আম আদমি পার্টি। এবার দিল্লি নির্বাচনে মূলত লড়াইটা ছিল আম আদমি পার্টি বনাম বিজেপির। গতবারের থেকে এবার কয়েকটি বেশি আসনে জেতে বিজেপি। কিন্তু দিল্লিতে জয়জয়কার কেজরিরই। ৬২টি আসন জিতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আম আদমি পার্টি। দিল্লির মানুষ আবার কেজরিওয়ালকে জিতিয়ে বুঝিয়েই দিয়েছে, উন্নয়নই শেষ কথা।

কেজরিওয়ালের একচ্ছত্র আধিপত্য

কেজরিওয়ালের একচ্ছত্র আধিপত্য

৭০ বিধানসভা আসনে আম আদমি পার্টির খাতায় ৬২টি, বিজেপি পেয়েছে ৮টি আসন৷ গতবারের তুলনায় বিজেপির আসন সংখ্যা বেড়েছে৷ স্বাভাবিকভাবেই শতকরার হিসেবেও বেশ কিছুটা এগিয়েছে তারা৷ গতবার প্রাপ্ত ভোটের নিরিখে গেরুয়া শিবিরের শতকরা হার ছিল ৩২.৩ শতাংশ৷ এবারে তা বেড়ে ৪০ শতাংশ হয়েছে৷ কিন্তু, আসন সংখ্যা বা ভোটের হারে পরিবর্তন কার্যত স্থিমিত আম আদমি পার্টির ফলাফলের সামনে৷

কংগ্রেসের বেহাল দশা

কংগ্রেসের বেহাল দশা

শীলা দীক্ষিতের নেতৃত্বে একসময় ১৫ বছর দিল্লিতে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। কিন্তু ২০১৫-র বিধানসভা নির্বাচনে খাতাই খুলতে পারেনি দল। এবারও একই ছবি। রাজধানীতে খাতায় খুলল না শতাব্দী প্রাচীন দলের। এককথায়, দিল্লিতে কার্যত ক্ষয়িষ্ণু দলে পরিণত হয়েছে কংগ্রেস। আম আদমি পার্টি ঝড়ের সামনে টিকতেই পারেনি তারা। এবার ৫ শতাংশেরও কম ভোট পড়েছে কংগ্রেসের ঝুলিতে। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় অ্যাডভান্টেজ পাওয়া যাবে বলে ভেবেছিল দল। তাও হয়নি। ত্রুটি হিসেবে দলীয় নেতারা প্রচারের গাফিলতিকেই দায়ী করেন।

বিহার নির্বাচন

বিহার নির্বাচন

এরপর করোনা আবহে গোটা দেশের বিভিন্ন নির্বাচন পিছিয়ে যায়। করোনা আবহে এবার বিহারে তিন দফার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ভোট পড়েছে ৫৭.০৫ শতাংশ। নির্বাচন কমিশনের হিসাবে ২০১৫ সালের থেকেও বেশি ভোট পড়েছে এবার। আগের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৫৬.৬৬ শতাংশ। এবছর ভোটদানে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা এগিয়ে। মহিলাদের ভোট বেশি পড়েছে ৫.০১ শতাংশ।

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয় এনডিএ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয় এনডিএ

এহেন করোনা আবহে অনুষ্ঠিত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয় এনডিএ জোট৷ তখনও তিনটি আসেন ফল ঘোষণা হওয়া বাকি৷ কিছু সময় পর ওই তিনটি আসনেরও ফলাফলও সামনে আসে৷ তিনটিতেই জয়ী হয় এনডিএ জোট৷ সবমিলিয়ে এনডিএর দখলে আসে ১২৫টি আসন, আর মহাজোট থমকে যায় ১১০টি আসনেই৷ বিজেপি এককভাবে জিতেছে ৭৪টি আসন৷ নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড জিতেছে মাত্র ৪৩টি আসন৷

তেজস্বীর উত্থান

তেজস্বীর উত্থান

এদিকে বিহারে একক দল হিসাবে সবথেকে বেশি আসন নিজেদের দখলে রাখন তেজস্বী যাদবের দল৷ ৭৫টি আসন পেয়েছে আরজেডি৷ বিহারে মহাজোটের পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ কংগ্রেস৷ ৯০টি আসনে নিজেদের প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস৷ তার মধ্যে শেষ পর্যন্ত ১৯টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে তাঁরা৷ অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারে নীতীশকে বার বার আক্রমণ করা চিরাগ পেয়েছেন একটি মাত্র আসন৷ আসাউদ্দিন ওয়েইসির এআইএমআইএম জিতেছে পাঁচটি আসনে৷

লালুপ্রসাদের ছায়া থেকে বের হয়ে এসেছেন তেজস্বী

লালুপ্রসাদের ছায়া থেকে বের হয়ে এসেছেন তেজস্বী

এবার বিহার নির্বাচনে বাবা লালুপ্রসাদ যাদবের ছায়া থেকে বের হয়ে এসেছেন তেজস্বী যাদব। নিজে হাতে তুলে নিয়েছেন দায়িত্ব। আর তা পালনে যে তিনি সফল তা প্রমাণ করে দিল বিহারের ফলাফল। নিঃসন্দেহে বিহার নির্বাচনের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ তেজস্বীই। বিজেপি যতই তাঁকে জঙ্গলের যুবরাজ বলে কটাক্ষ করুক না কেন তিনি দমে যাননি। প্রচার ময়দানে মারকাটারি ইনিংস খেলেছেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। করোনা আবহেও একদিনে ১৭টি সভা করে রেকর্ড করেছিলেন। 'ডবল ইঞ্জিন'-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মহাজোটকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এত কিছুর পর ক্ষমতায় আসতে না পারলেও তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বেই বিহারে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে।

মধ্যপ্রদেশের উপনির্বাচন

মধ্যপ্রদেশের উপনির্বাচন

এদিকে এই একই সময় অনুষ্ঠিত হয় মধ্যপ্রদেশের উপনির্বাচন। কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার জন্যে এটি ছিল প্রেস্টিজ ফাইট। সেই পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হন। পাশাপাশি কুর্সি ধরে রাখেন শিবরাজ সিং চৌহান। মধ্যপ্রদেশে ২৮টি আসনে উপনির্বাচনে 19টিতেই জয় পেল তারা। কংগ্রেস পেয়েছে ৯টি আসন। উল্লেখ্য, ক্ষমতা ধরে রাখতে বিজেপির প্রয়োজন ছিল ৮টি আসন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১০ মার্চ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে সিন্ধিয়া-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আরও ২২ জন কংগ্রেস বিধায়ক গত সপ্তাহে ইস্তফাপত্র জমা দেন৷ এর জেরে ১৫ মাসের মধ্যেই সংকটের মুখে পড়ে কমল নাথের সরকার।

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দল বদল

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দল বদল

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস৷ ওই জয়ের পিছনে মূল কাণ্ডারী হিসেবে তখন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার নাম উঠে এসেছিল৷ কিন্তু তাঁর পরিবর্তে দলের প্রবীণ নেতা কমল নাথকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়৷ এমনকী জ্যোতিরাদিত্যকে রাজ্যসভায় সাংসদও করেনি কংগ্রেস৷ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদটিও হাতছাড়া হয় তাঁর৷ এর পিছনে কমল নাথ ও দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো প্রবীণ নেতাদের যথেষ্ট ভূমিকা ছিল বলে তখন প্রশ্ন উঠেছিল কংগ্রেসের অন্দরমহলে৷ সেই থেকেই জ্যোতিরাদিত্যর সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে কংগ্রেসের৷ পরে সেই জ্যোতিরাদিত্যর কারণেই কমল নাথের পতন হয়। পরে উপনির্বাচনেপ পরীক্ষায় পাশ করে ফের মসনদে বসেন শিবরাজ।

ভারত বনধের আগের দিন দুই রেল ইউনিয়নের বড় বার্তা ! কৃষক আন্দোলন ঘিরে পারদ তুঙ্গে

English summary
Assembly elections in Delhi and Bihar in 2020 saw AAP and BJP led NDA retain power
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X