• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বিধানসভা নির্বাচন ২০১৭ : শেষমুহূর্তে কী বলছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের হিসাব?

বেঙ্গালুরু, ১০ মার্চ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিলের ঘোষণার পর থেকে এই প্রথম নির্বাচন ছিল পাঁচ রাজ্যে। উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুরের ভোট পর্ব শেষে। বুথ ফেরত সমীক্ষাও জানা হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু অপেক্ষা নির্বাচনের ফল ঘোষণার।[উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একনজরে ]

নির্বাচনের ফল ঘোষণার জন্য আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা। তবে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে শেষ মুহূর্তে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অঙ্ক কী বলছে? বুথ ফেরত সমীক্ষার সঙ্গে আদতে কি কোনও মিল রয়েছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যায়? আসুন একঝলকে দেখে নেওয়া যাক।[(ছবি) বিজেপিকে ঠেকাতে বসপা-র সঙ্গে হাত মেলাতে প্রস্তুত অখিলেশ, ইঙ্গিত মহাজোটের ]

উত্তরপ্রদেশ

উত্তরপ্রদেশ

বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে রাজ্যে বিজেপি আসতে চলেছে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতও মিলে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পেয়ে এগিয়ে থাকতে চলেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সপা-কংগ্রেস জোট সত্ত্বেও পাল্লা ভারি বিজেপিরই। সপা কংগ্রেস জোট বেঁধে রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গিয়ে রাজ্যবাসীর সুপ্ত হিন্দুত্ব ভাবনাকে জাগরিত করেছে। মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের হিসাব রাখাই স্ট্র্যাটেজি ছিল কিন্তু সপা-কং জোট এই ফ্যাক্টরটিতে গুরুত্ব দেয়নি যে রাজ্যে একমাত্র মুসলিম সম্প্রদায়ই ভোট দিচ্ছে না।

মায়াবতী অন্যদিকে দলিত ভোটে নজর রাখলেও অ-দলিত সম্প্রদায়কে মাথায় রেখে হিন্দুত্ববাদে একটা ছোট অংশ ছোঁয়ার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। যা কিছুটা হলেও তার পক্ষে যেতে পারে। আর তা হলে তার প্রভাব বিজেপির ভোটেই পড়বে।

অনেকেই মনে করছেন বিহারের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে সপা-কং জোটের নেতাদের শুধু জনপ্রিয়তা দিয়ে নেতিবাচক ভোটকে ইতিবাচক ভোটে রূপান্তরিক করা যাবে না। বিশেষ করে, বিহারের মহাজেট যে হারে ভোট টানতে পেরেছিল কং-সপা সেহারে ভোট টানতে সমর্থ হবে না। আর তার ফল হাতে নাতে পাবে বিজেপি।

উত্তরপ্রদেশ ২০১৭ এবং বিহার ২০১৫-এর মধ্যে অনেক তফাৎ রয়েছে। উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে মহাজোটের মধ্যে নেই রাজ্যের তৃতীয় বৃহদ দল বসপা। কংগ্রেস একেই ডুবন্ত জাহাজ, তায় সমাজবাদী পার্টির অন্তর্কোন্দল, দুইয়ে মিলে হাত মেলালেও সেভাবে সুবিধা হবে কিনা জোটের তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েইছে।

পাঞ্জাব

পাঞ্জাব

এই রাজ্যে সরকার বিরোধি হাওয়া রয়েছে। ফলে ক্ষমতায় থাকা শিরোমণি আকালি দল এবং বিজেপি নির্বাচনের ফলে বড় ধাক্কা খেতে পারে। তবে লড়াইটা কংগ্রেস আর আম আদমি পার্টির মধ্যে জোরদার হতে চলেছে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে পাঞ্জাবের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র মালওয়া, মাঝা এবং দোয়াবায় নির্ণায়ক ভূমিকায় আসা যাবে না যে কোন দল বিজেপি-অকালি সরকারের সেরা বিকল্প হবে। রাজ্যের ১১৭টি আসনের মধ্যে এই তিন এলাকা থেকেই রয়েছে ৬৯টি আসন। এই আসনগুলিতে হাওয়া আপের দিকেই এবং বাকি ৪৮টি আসনে কংগ্রেস জোরদার বলে মনে করছেন অনেকে।

আসলে রাজনৈতিক বোদ্ধাদের বিশ্বাস আপ প্রথমবার লড়াইয়ে নেমেই আকালি দলের ভিত অনেকটাই নাড়িয়ে দিয়েছে। হিন্দু এলাকায় আপের জোর নেই তবে শিখ এলাকায় আপ শক্তিশালী।

গোয়া

গোয়া

গোয়ায় গেরুয়া হাওয়ার দাপটই বেশি। তবে অনেকে মনে করছেন গোয়াতে আপের সুবিধা বেশি। আসলে সবাই ভাবছে লড়াইটা দুটি প্রতিষ্ঠিত দল ক্ষমতায় থাকা বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে। তবে চোরা স্রোতে কখন যে আপ ঢুকে পড়েছে তা কেউই নজরে আনতে পারেনি।

কংগ্রস এখানে এখনও দুর্নীতির ঘাঁটি হিসাবেই পরিচিত আর শাসক বিজেপির কাজে হতাশ এলাকাবাসী। তবে তা হলেও এই রাজ্যে সরকার বিরোধী হাওয়া খুব প্রবল নয়।

মণিপুর

মণিপুর

এই রাজ্যে বিজেপি এবং কংগ্রেসের জয়ের সম্ভাবনা ৫০-৫০। কংগ্রেস থেকে সম্প্রতি অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, যার মধ্যে এন বীরেন সিং এবং ইয়েরাবতের মতো হেভিওয়েটরা রয়েছে। এদিকে বিজেপি থেকেও বেশ কিছু বিধায়ক যোগ দিয়েছে কংগ্রেসে। যাদের মধ্য অন্যতম বড় নাম বল খুমুকচাম জয়কিষণ। অন্য কোনও দল সেভাবে লড়াইয়ে আসতেই পারেনি। দুই দলই সমান গতিতে রয়েছে নির্বাচনের দৌড়ে।

উত্তরাখণ্ড

উত্তরাখণ্ড

এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত নিজেই কংগ্রেসের জয় নিয়ে আশাবাদী নয়।

তবে কেউ কেউ মনে করছেন উত্তরাখণ্ডে ভোট এত কম হারে পড়েছে যে কংগ্রেস বেরিয়ে যেতে পারে।

English summary
Assembly Election 2017: BJP will win Uttar Pradesh, AAP may take Punjab, opine most political experts
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more