ষড়যন্ত্রকারীদের নিশানা করুন, কিন্তু কোনওভাবেই মাদ্রাসার মানহানি নয়! সুর চড়ালেন বদরুদ্দিন আজমল
মাদ্রাসা (Madrasa) খারাপ এই দায় কোনওভাবেই নিতে রাজি নয় অসমের (assam) এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল (badruddin ajmal)। সাম্প্রতিক সময়ে অসমে জঙ্গি যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিকমাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে সেখানক
মাদ্রাসা (Madrasa) খারাপ এই দায় কোনওভাবেই নিতে রাজি নয় অসমের (assam) এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল (badruddin ajmal)। সাম্প্রতিক সময়ে অসমে জঙ্গি যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে সেখানকার সরকার। এব্যাপারে বদরুদ্দিন বলেছেন এব্যাপারে তাঁর কোনও সহানুভূতি নেই। কর্তৃপক্ষ যা খুশি তাই করতে পারে।

খারাপ কাজে পাশে নয়
বদরুদ্দিন আজমল বলেছেন, মাদ্রাসার কোনও খারাপ কাজের ক্ষেত্রে তাদের কোনও সহানুভূতি নেই। তিনি বলেছেন, সরকারের উচিত জঙ্গিদের কোথাও দেখলেই গুলি করে মারা। মাদ্রাসায় যদি ১-২ জন শিক্ষক খারাপ কাজে শুক্ত থাকেন, সরকারের উচিত তদন্ত করে তাদের গ্রেফতার করে বিচাক করা।
তিনি বলেছেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর উচিত জিহাদি মানসিকতা কিংবা সন্ত্রাসকে কোনও ধর্মের সঙ্গে তুলনা না করা। সন্ত্রাসীদের হিন্দু কিংবা মুসলিম হতে পারে না। কেউ যদি দাড়ি রাখে এবং টুপি পরে, তার মানে এই নয়, সব মুসলিম জিহাদি হয়ে গিয়েছে। এর অর্থ এই নয়, সব মাদ্রাসাতেই জিহাদি কাজকর্ম হয়।

স্বাধীনতার অংশ নিয়ে ছিল মাদ্রাসাও
এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেছেন, দেশে লক্ষ লক্ষ মাদ্রাসা রয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর জানা উচিত ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার আন্দোলনে মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরাও অংশ নিয়েছিল। মুসলিমউলেমারা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

মাদ্রাসার মানহানি নয়
তিনি প্রশ্ন করেছেন, বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তান তেকে যদি কেউ আসে, তাদের সীমান্তে আটকানোর দায়িত্ব কাদের। এব্যাপারে সেনা কিংবা বিএসএফ কী করছে, সেই প্রস্ন তিনি করেছেন। তাদের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করা হলেও কেন সীমান্তের অনুপ্রবেশকারীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন করেছেন আজমল।
আজমল বলেছেন, যারা বাইরে থেকে এসে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রতি কোনও সহানুভূতি নেই। তিনি আরও বলেছেন যড়যন্ত্রকারীদের হত্যা করুন, কিন্তু তাই বলে মাদ্রাসার মানহানি নয়। তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার হোক, কেননা তারা ভারতের মুসলিমদের অপমান করছে।

অসমে মাদ্রাসা নিয়ে ধড়পাকড়
অসমে মাদ্রাসায় জঙ্গি কার্যকলামের অভিযোগ করে ধরপাকড় শুরু হয়েছে। মরিগাঁয়ের মইরাবাড়ির এক মাদ্রাসা থেকে মুফতি মোস্তাফা নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সঙ্গে বাংলাদেশের আনসারুল্লা বাংলা টিমের যোগসাজস পাওয়া গিয়েছে।
ইউএপিএ-র অধীনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই মাদ্রাসায় ৪৩ জন পড়াশোনা করত।
অসম সরকারের তরফে জানানো হয়েছে ২৮ জুলাই মরিগাঁও, বরপেটা, গুয়াহাটি এবং গোয়ালপাড়া থেকে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইসলামিক মৌলবাদে ষুক্ত থাকার অভিযোগে।












Click it and Unblock the Notifications